অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পরমাণু বিষয়ক অনুসন্ধান বন্ধের ইরানের দাবিকে “অযৌক্তিক” বলছে যুক্তরাষ্ট্র


নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে জাতিসংঘের ৭৭তম সাধারণ পরিষদ সম্মেলনের পার্শ্ববৈঠকে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাঁক্রো, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২। (ফাইল ফটো)

ইরান বৃহস্পতিবার বলে যে, ২০১৫ সালের পরমাণু বিষয়ক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র আবারও নিজেদের প্রত্যাহার করে নিবে না এমন নিশ্চয়তা ছাড়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে জাতিসংঘের পরিদর্শকদের অনুসন্ধান বন্ধ করা না হলে, ইরান ২০১৫ সালের ঐ চুক্তিটি পুনরুজ্জীবিত করার কোন কারণ দেখতে পায় না। জাতিসংঘের পরিদর্শক বিষয়ে ইরানের এমন অবস্থানকে “অযৌক্তিক” বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা।

অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠার প্রচেষ্টায় ব্যর্থতার প্রতি ইঙ্গিত করে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি বলেন,: “চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করে কি হবে যদি এমন নিশ্চয়তা না থাকে যে যুক্তরাষ্ট্র তা আবারও লঙ্ঘন করবে না?”

মঙ্গলবার রাইসির সাথে এক বৈঠকের পর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাঁক্রো বলেন যে, “ইরানের সাথে একটি পরমাণু বিষয়ক চুক্তি হওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্তটি এখন ইরানের হাতে রয়েছে।”

তবে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে রাইসি, চুক্তিটি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যর্থতার দায়, চুক্তিটির ইউরোপীয় পক্ষ ও যুক্তরাষ্ট্রের উপর চাপান।

নিশ্চয়তা ছাড়াও ইরান চায় যেন, ইরানের অঘোষিত তিনটি স্থাপনায় ইউরেনিয়াম থাকার চিহ্ন শনাক্ত হওয়ার বিষয়ে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) তাদের কয়েকবছর ধরে চলতে থাকা অনুসন্ধানটি বন্ধ করে দেয়। ইউরেনিয়াম থাকার এমন চিহ্ন বিষয়ে ইরানের কাছ থেকে কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। আইএইএ হল জাতিসংঘের পরমাণু বিষয়ক পর্যবেক্ষক সংস্থা।

সংবাদদাতাদের সাথে আলাপকালে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইরান ঐ বিষয়ে গ্রহণযোগ্য কোন উত্তর না দেওয়া পর্যন্ত, তদন্ত বন্ধে আইএইএ’র উপর চাপ প্রয়োগের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, “সংক্ষেপে বলতে গেলে, ইরানের অবস্থানের কারণে আমরা আটকে গিয়েছি, এবং ইউরেনিয়াম থাকার ব্যাখ্যাতীত চিহ্ন নিয়ে আইএইএ’র অনুসন্ধান বিষয়ে তারা যা চাইছে , তার পরিপ্রেক্ষিতে আমার মনে হয় তাদের অবস্থানটি অত্যন্ত অযৌক্তিক।”



XS
SM
MD
LG