অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

কক্সবাজারে সুপারি গাছে বেঁধে শিশুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, একজন গ্রেপ্তার


বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার ঈদগাঁওয়ে, এক শিশুকে সুপারি গাছের সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের পূর্ব ইছাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সোমবার(২৬ সেপ্টেম্বর) ভেরে মামলার প্রধান অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নিহত মো. সাজ্জাদ (১৩) ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সাত ঝুলাকাটা গ্রামের নুরুল হুদার ছেলে।

মামলার অভিযুক্তরা হলেন; মৃত ছাবের আহমদের ছেলে আব্দুস সালাম (৫৫), তার স্ত্রী মিনুয়ারা বেগম (৪০) ও তাদের দুই ছেলে মো. আলম (৩০) ও নুরুল আজিম (১৫)।

ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হালিম বলেন, “শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে শিশু সাজ্জাদকে কয়েক ব্যক্তি, ইশফাতের গ্রাম্য চা দোকানের সামনে থেকে টানা-হেচড়া করে পাশ্ববর্তী পোকখালী ইউনিয়নের পূর্ব ইছাখালী গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে সুপারি গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখে। বিকাল সাড়ে ৫টার সময়, অভিযুক্ত মো. আলম এবং আরও কয়েকজন শিশু সাজ্জাদকে বাঁধা অবস্থায় মারধর করে। এতে সাজ্জাদ গুরুতর আহত হয়। সাজ্জাদ মারা গেছে ভেবে তাকে ফেলে পালিয়ে যায় তারা।”

ওসি আবদুল হালিম বলেন, “স্থানীয় বাসিন্দারা সাজ্জাদকে নিথর অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে, বাড়িতে এনে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা করে তার পরিবার। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায়, রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে সাজ্জাদকে ঈদগাঁও মেডিকেলে নিয়ে গেলে, ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”

“এঘটনায় নিহত সাজ্জাদের বাবা বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে ঈদগাঁও থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতের শেষ প্রহরে ঈদগাঁও থানা এলাকার পূর্ব ইছাখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়;” জানান ওসি আবদুল হালিম।

পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম বলেন, “প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, নিহত শিশু সাজ্জাদের সঙ্গে মো. আলমের শিশু পুত্রের সঙ্গে ঝগড়া হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মো. আলম তার ছেলের বন্ধু, ১৩ বছরের শিশু সাজ্জাদকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করে।”

XS
SM
MD
LG