প্রাক্তন জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মার্কেল সিরিয়ায় সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে পালিয়ে আসা ১২ লাখেরও বেশি শরণার্থী এবং আশ্রয়প্রার্থীদের আশ্রয় দেয়ার জন্য জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা থেকে মর্যাদাপূর্ণ ন্যানসেন পুরস্কার জিতেছে।
২০১৫ এবং ২০১৬ সালে সিরিয়ার তীব্র সংঘাতের সময় যখন অন্যান্য দেশ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিল তখন আঙ্গেলা মার্কেল দেশটির মরিয়া জনগণকে স্বাগত জানিয়েছিলেন।
পুরস্কার ঘোষণা করার সময়, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি বলেন, মার্কেল ১০ লাখেরও বেশি শরণার্থীকে বেঁচে থাকতে এবং তাদের জীবন পুনর্গঠনে সহায়তা করে মহান নৈতিক ও রাজনৈতিক সাহস প্রদর্শন করেছেন।
ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র ম্যাথিউ সল্টমার্শ বলেছেন, মার্কেল বিশ্বব্যাপী উদ্বাস্তুদের দুর্দশার কথা তুলে ধরতে সাহায্য করেছেন। তিনি আরও বলে, মার্কেল দেখিয়েছেন যে, রাজনীতিবিদেরা অন্যদের কাঁধে দায়িত্ব ঠেলে না দিয়ে নিজেরা চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির সমাধান খুঁজতে কাজ করলে কী অর্জন করা যায়।
নরওয়েজিয়ান অভিযাত্রী এবং মানবতাবাদী ফ্রিডটজফ নানসেনের নামে এই পুরস্কারের নামকরণ করা হয়েছে। এটি এমন ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সংস্থাকে দেয়া হয় যারা শরণার্থীদের সুরক্ষার জন্য কর্তব্যের উর্ধ্বে উঠে কিছু করে।
পুরস্কার বাছাই কমিটি ৪ জন আঞ্চলিক বিজয়ীকেও সম্মানিত করেছে।
১০ অক্টোবর জেনেভাতে একটি অনুষ্ঠানে মার্কেল এবং চার আঞ্চলিক বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হবে। মার্কেলের পুরস্কারের অর্থমূল্য দেড় লাখ ডলার। আঞ্চলিক বিজয়ীরা প্রত্যেকে ৫০ হাজার ডলার করে পাবেন।