জাপানের উপর দিয়ে উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর বিষয়ে আলোচনার জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বুধবার একটি জরুরি বৈঠক করছে।
যুক্তরাষ্ট্র উন্মুক্ত এই বৈঠকটির অনুরোধ করেছিল।
মঙ্গলবার জাপানের প্রধান মন্ত্রীপরিষদ সচিব হিরোকাজু মাতসুনো সংবাদদাতাদের বলেন, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রটি সকাল ৭টা ২২ মিনিটে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ২২ মিনিট পরে জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে প্রশান্ত মহাসাগরে বিস্ফোরিত হয়। এর ফলে মঙ্গলবার সকালে টোকিও, উত্তরাঞ্চলীয় জেলা হোক্কাইডো এবং আওমেরির কিছু বাসিন্দাকে সরিয়ে নেয়।
উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের জবাবে বুধবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী সাগরে একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে এবং পীত সাগরে বোমাবর্ষণের মহড়া করে।
হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা মঙ্গলবার ফোনালাপের সময় জাপানের ওপর দিয়ে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছেন।
উত্তর কোরিয়া সর্বশেষ এই বছরের জানুয়ারির শেষের দিকে একটি Hwasong-12 IRBM পরীক্ষা করেছিল। এটির পরে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জাপানের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে ব্যাখ্যা করেছিল যে, এই পরীক্ষাটি “প্রতিবেশী দেশগুলোর নিরাপত্তার বিবেচনায়” করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি গুয়ামকে নাগালের মধ্যে রাখতে সক্ষম বলে অনুমান করা হয়।
সর্বসাম্প্রতিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সম্ভবত সেই সীমা ছাড়িয়ে গেছে। পিয়ংইয়ং এবং গুয়ামের মধ্যকার দূরত্ব প্রায় ৩,৪০০ কিলোমিটার। গুয়ামে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত নৌ ঘাঁটি রয়েছে।
এ প্রতিবেদনের কিছু তথ্য এপি, এএফপি এবং রয়টার্স থেকে নেয়া হয়েছে।