সলোমন দ্বীপপুঞ্জের প্রধানমন্ত্রী মানাসেহ সোগাভারে বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সিনিয়র মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক করছেন। ক্যানবেরা তার প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্রতিবেশীদের চীনের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপনে বাধা দিয়ে থাকে।
অস্ট্রেলিয়া ২০১৭ সালে সলোমন দ্বীপপুঞ্জের সাথে একটি নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল, কিন্তু এই বছরের শুরুতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ চীনের সাথে একটি চুক্তির কারণে সম্পর্কটি বিপর্যস্ত হয়।
ক্যানবেরায় এ নিয়ে উদ্বেগ ছিল যে চুক্তিটি বেইজিংকে প্রশান্ত মহাসাগরে একটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দিতে পারে এবং এই অঞ্চলের নাজুক ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্যকে অস্থিতিশীল করতে পারে। চীন বলেছে যে এই চুক্তিটি প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাড়া দিতে এবং "সামাজিক শৃঙ্খলা" বজায় রাখতে সহায়তা করবে।
অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে সলোমন দ্বীপপুঞ্জে, বেশিরভাগ মেলানেশিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, অস্থিরতার ইতিহাস রয়েছে। ১৯৯০ এর দশকের শেষদিকে রাজনৈতিক সহিংসতার পরে ক্যানবেরা ২০০৩ সালে একটি বহুপাক্ষিক শান্তিরক্ষা মিশনের নেতৃত্ব দেয়।
বিশ্লেষকরা বলেছেন যে বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মানসেহ সোগাভারের সফর উভয় পক্ষকে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের সুযোগ দেবে। এটি ক্যানবেরাকে এই অঞ্চলে চীনের কূটনৈতিক এবং বানিজ্যিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সরিযে দেওয়ার সুযোগও দেবে।
লোই ইনস্টিটিউটের প্যাসিফিক আইল্যান্ড প্রোগ্রামের ডিরেক্টর মেগ কিন ভয়েস অফ আমেরিকাকে বলেছেন যে প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের আগ্রহ বাড়ছে।
তিনি বলেন, "বৃহত্তর বিশ্বের নাগাল পাওয়ার জন্য , চীন যেমন নিজেকে বৃহত্ শক্তি হিসেবে দেখে সেই ভাবে বৃহত্তর প্রভাব বিস্তারের জন্য এটি চীনের সম্প্রসারণের অংশ এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপগুলিতে প্রচুর সংখ্যক ভোট, স্বাধীন দেশ রয়েছে। সুতরাং, এটি জাতিসংঘের জন্য মূল্যবান, বিশেষ করে মেলানেশিয়াতে, এমন সম্পদ রয়েছে, বিশেষত মৎস্য, বনায়ন এবং খনিজসম্পদ যাতে এদের আগ্রহ হবে।"
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ জুলাই মাসে ফিজিতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ ফোরামে সোগাভারের সাথে দেখা করেন।