যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেনে আরও ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের সামরিক সহায়তা পাঠাবে। হোয়াইট হাউজ শুক্রবার এ কথা জানিয়েছে। ইউক্রেনের বেসামরিক মানুষের উপর রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে, কিয়েভের সহায়তার জন্য এটিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ও সর্বসাম্প্রতিক নিরাপত্তা প্যাকেজ।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, এই সহায়তা প্যাকেজটিতে উল্লেখযোগ্য কোন নতুন সক্ষমতা বা বিমান হামলা প্রতিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত নেই। বরং,এই প্যাকেজে ইউক্রেনকে এমন গোলাবারুদ ও অস্ত্র আবারও সরবরাহ করায় মনোযোগ দেওয়া হয়েছে, যেগুলো ইউক্রেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা হামলায় সফলতার সাথে ব্যবহার করে আসছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, “আমরা যে সক্ষমতাগুলো সরবরাহ করছি, সেগুলো এমন সতর্কতার সাথে নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে তা যুদ্ধক্ষেত্রকে ইউক্রেনের পক্ষে বদলে দিতে পারে।”
এদিকে, ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক শনিবার বলে যে, রাশিয়া গত মাসে তাদের ঘোষিত বাধ্যতামূলক নিয়োগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে, আরও সৈন্য মোতায়েন করলেও, সম্ভবত সেই সৈন্যদের সরঞ্জামের স্বল্পতা রয়েছে।
ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের টুইটারে পোস্ট করা হালনাগাদ গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, “অনেক রিজার্ভ সৈন্যকেই সম্ভবত নিজেদের বডি আর্মর (নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত জ্যাকেট ধরণের বিশেষ সরঞ্জাম) নিজেদেরই কিনতে হচ্ছে, বিশেষ করে আধুনিক ৬বি৪৫ জ্যাকেট। অথচ, র্যাটনিক পার্সনাল প্রোগ্রামের আওতায়, স্বাভাবিক সরবরাহ হিসেবে এ গুলো যুদ্ধরত ইউনিটগুলোকে দেওয়ার কথা ছিল।”
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ঐ বিশেষ জ্যাকেটগুলো বর্তমানে রুশ ওয়েবসাইটগুলোতে ৪০,০০০ রুবল বা ৬৪০ ডলার মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিলে ঐ একই জ্যাকেটের মূল্য ছিল প্রায় ১২,০০০ রুবল (১৯০ ডলার)।