অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পশ্চিম জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসাবে দেয়া স্বীকৃতি প্রত্যাহার করেছে অস্ট্রেলিয়া

নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে একটি সভায় অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং। ১৬ জুন, ২০২২। ফাইল ছবি।
নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে একটি সভায় অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং। ১৬ জুন, ২০২২। ফাইল ছবি।

অস্ট্রেলিয়ার মধ্য-বাম সরকার তাদের পূর্ববর্তী রক্ষণশীল প্রশাসনের পশ্চিম জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানীর স্বীকৃতি দেয়ার যে সিদ্ধান্ত তা ফিরিয়ে নিচ্ছে।

মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং ক্যানবেরায় এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে বলেছেন, ইসরাইল ও ফিলিস্তিনি জনগণের মধ্যে শান্তি আলোচনার মাধ্যমে শহরটির মর্যাদা নির্ধারণ করা উচিত।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী ইয়ার ল্যাপিড তার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলেছেন, জেরুজালেম "ইসরাইলের চিরন্তন অবিভক্ত রাজধানী এবং কোনো কিছুতেই এটি পরিবর্তন হবে না।"

তিনি বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজের মন্ত্রিসভা জেরুজালেম সম্পর্কে গণমাধ্যমের একটি প্রতিবেদন দ্বারা বিভ্রান্ত হয়েছে। তিনি আশা করেন এটি "অন্যান্য বিষয় আরও গুরুত্ব সহকারে এবং পেশাদারিত্বের সাথে পরিচালনা করবে।"

ইসরাইলের পররাষ্ট্রর মন্ত্রক আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানাতে অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।

প্রাক্তন রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে পশ্চিম জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানীর আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছিলেন, কিন্তু তেল আবিবে অস্ট্রেলিয়ার দূতাবাস রেখে দিয়েছিলেন। ওং বলেছেন, মরিসনের সিদ্ধান্তটি একটি বৃহৎ ইহুদি জনসংখ্যা অধ্যুষিত সিডনির উপকণ্ঠে একটি বিশেষ সংসদীয় নির্বাচনে জয়ী হওয়ার একটি "নেতিবাচক " প্রচেষ্টা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প পশ্চিম জেরুজালেমকে ইসরাইলের সরকারি রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার ১ বছর পরে মরিসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। মরিসনের এ পদক্ষেপ অস্ট্রেলিয়া এবং তার প্রতিবেশি, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করেছিল।

পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিভাগ তাদের ওয়েবসাইট থেকে পশ্চিম জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে অভিহিত করার বর্ণনা সরিয়ে দেয়ার পরে এই পরিবর্তন আসে।

This item is part of
XS
SM
MD
LG