অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ভারতের কংগ্রেস পার্টি গান্ধী পরিবারের বাইরে থেকে নতুন সভাপতি নির্বাচন করেছে


কংগ্রেস পার্টির সমর্থকরা ভারতের নয়া দিল্লিতে নবনির্বাচিত দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খার্গের বাসভবনের বাইরে উদযাপন করছে। ১৯ অক্টোবর, ২০২২।
কংগ্রেস পার্টির সমর্থকরা ভারতের নয়া দিল্লিতে নবনির্বাচিত দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খার্গের বাসভবনের বাইরে উদযাপন করছে। ১৯ অক্টোবর, ২০২২।

ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস পার্টি ২ দশকের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো নেহেরু-গান্ধী পরিবারের বাইরে থেকে নতুন একজন নেতা নির্বাচিত করেছে। কংগ্রেস তার রাজনৈতিক ভাগ্যের উন্নতি করার চেষ্টা করছে। ২০১৪ সালে হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টি ক্ষমতায় আসার পর কংগ্রেস নাটকীয়ভাবে ভেঙে পড়েছে।

দলের প্রবীণ এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মল্লিকার্জুন খার্গে অন্তর্বর্তী সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর কাছ থেকে দায়িত্ব নেবেন।

৮০ বছর বয়সী এই নেতা কংগ্রেস পার্টির অন্তত ৯ হাজার ৩শ জন প্রতিনিধির ভোটের ৮০ শতাংশের বেশি পেয়েছেন। সহজেই তিনি তার প্রতিদ্বন্দ্বী, সংসদ সদস্য এবং জাতিসংঘের সাবেক কূটনীতিক শশী থারুরকে পরাজিত করেছেন।

ভারতের এই “গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি” ঐতিহাসিকভাবে গান্ধী পরিবারের নেতৃত্বে রয়েছে কিন্তু সাধারণ নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো পরাজিত হওয়ার পর ২০১৯ সালে সোনিয়া গান্ধীর পুত্র রাহুল গান্ধী সভাপতির পদ ছেড়ে দেয়ার পর থেকে দলটি নেতৃত্ব শূন্যতার সম্মুখীন হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য হতাশ পার্টির যে ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্ব প্রয়োজন তা খার্গে দিতে পারেন কিনা তা এখন দেখার বিষয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিজেপি কেবল তার নিজস্ব জনপ্রিয়তার কারণে নয়, ভোটারদেরকে একটি বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প প্রস্তাব করতে সক্ষম এমন একটি কার্যকর বিরোধী দলের অনুপস্থিতির কারণেই জয়ী হয়েছে। বিশেষ করে রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কার্যকর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা যায়নি।

XS
SM
MD
LG