অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইরান নিয়ে আলোচনার জন্য বিশ্বের নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের আয়োজন করছে কানাডা

কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলানি জলি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিচ্ছেন। ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২। ফাইল ছবি।
কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলানি জলি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিচ্ছেন। ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২। ফাইল ছবি।

কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলানি জলি বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর ইরানের নৃশংস দমন-পীড়ন নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার কানাডা আয়োজিত এক ভার্চুয়াল বৈঠকে বিশ্বের ১২টিরও বেশি দেশের নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যোগ দেবেন।

গত মাসে তেহরানের নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে থাকা মাহসা আমিনির মৃত্যুর ফলে ইরানজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

জলি এবং আরও ১৪ জন নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় (১২০০ জিএমটি) ভার্চুয়ালি সাক্ষাৎ করবেন। তারা ইরানি নারীদের কথা শুনবেন এবং ইরানের নারী ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন।

ইরান অভিযোগ করেছে, দেশগুলো ইরানের বিক্ষোভে সমর্থন প্রকাশ করে তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে।

একটি সরকারি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, কানাডায় বৈঠকে যোগদান করতে যাওয়া ১৪ জন পররাষ্ট্র মন্ত্রীর মধ্যে জার্মানি, চিলি, নিউজিল্যান্ড এবং নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা রয়েছেন। সূত্রটি আরও জানায়, ফ্রান্স এই বৈঠকে যোগ দেবে তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাথরিন কোলোনা এতে যোগ দিতে সক্ষম হবেন না।

রয়টার্স জানিয়েছে, আলবেনিয়া, অ্যান্ডোরা, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, চিলি, আইসল্যান্ড, কসোভো, লিবিয়া, লিচেনস্টাইন, মঙ্গোলিয়া এবং পানামার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠকে অংশ নেবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশ ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

রয়টার্স জানায়, বুধবার জলি ঘোষণা করেন,ইরানের মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য ইরানের উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ মিরাহমাদিসহ ৪টি সংস্থা এবং ৬ জন ব্যক্তির ওপর অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

ইরানের ধর্মীয় নেতারা এই বিক্ষোভকে কুর্দি সংখ্যালঘুদের দ্বারা সংঘটিত একটি বিচ্ছিন্ন বিদ্রোহের অংশ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তারা বলেছেন এটি ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ নয়, বরং এটি দেশের ঐক্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

এ প্রতিবেদনের কিছু তথ্য রয়টার্স থেকে নেয়া হয়েছে।

This item is part of
XS
SM
MD
LG