অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইউক্রেনে ড্রোন বিষয়ে জাতিসংঘে ইউরোপের তিন দেশের তদন্তের আহ্বান


ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে একটি ভবনে ড্রোন হামলার পর ঘটনাস্থলে কাজ করছেন দমকলকর্মীরা, ১৭ অক্টোবর ২০২২।

ইউক্রেনে আক্রমণ চালাতে রাশিয়া ইরানী ড্রোন ব্যবহার করছে – এমন অভিযোগ তদন্ত করতে শুক্রবার জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ফ্রান্স, জার্মানী ও ব্রিটেন।

জাতিসংঘে ফ্রান্স, জার্মানী ও ব্রিটেনের মিশনগুলোর পাঠানো এক চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, “উন্মুক্ত সূত্রগুলো থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পাওয়া গেছে , যার মধ্যে ছবি ও ভিডিও রয়েছে, যে রাশিয়া ইউক্রেনে মোহাজের ও শাহেদ ধরণের ইউএভি [মানববিহীন আকাশযান] ব্যবহার করছে।”

তাতে বলা হয়, এমন অস্ত্র হস্তান্তর করা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব লঙ্ঘন করেছে।

ইরান ও রাশিয়া, উভয়ই অস্বীকার করেছে যে ইরান রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহ করছে।

ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে উদ্ধৃত করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি অভিযোগ করেছেন যে, রাশিয়া ইরান থেকে ২,৪০০টি শাহেদ ড্রোনের ক্রয়াদেশ দিয়েছে এবং তারপর জেরান-২ হিসেবে সেগুলোর নাম পরিবর্তন করেছে, রুশ ভাষায় যার অর্থ হল “জেরানিয়াম”।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী তিন সদস্যদেশ - যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রান্স সাম্প্রতিককালে বলে যে, রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহ করে ইরান জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাব লংঘন করেছে। জাতিসংঘের ঐ প্রস্তাবটি ইরান ও ছয়টি বিশ্বশক্তির মধ্যকার ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তিটির প্রতি অনুসমর্থন দিয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র বৃহস্পতিবার অভিযোগ করে যে, ইরানের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা ইউক্রেনে “সরেজমিনে” উপস্থিত রয়েছে, এবং তারা রুশ সামরিক বাহিনীকে ড্রোন পরিচালনা করতে সহায়তা করছে।

পেন্টাগনের প্রেস সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল প্যাট রাইডার সংবাদদাতাদের বলেন, “আমাদের উপলব্ধি হল যে, তারা [ইরানের বাহিনী] ক্রাইমিয়ায় সরেজমিনে রয়েছে, এবং রুশ সামরিক বাহিনীর সদস্যরা যখন ইউক্রেনে এই ড্রোন অভিযান চালাচ্ছে, তখন তারা তাতে সহায়তা করছে।”

রাশিয়ার পক্ষ থেকে ইরানের তৈরি ড্রোন ব্যবহারের কথা অস্বীকার করার বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে, রাইডার বলেন, “এটি একেবারেই স্পষ্ট যে তারা মিথ্যা কথা বলছে”। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, তারা “শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, বরং এখন ইউক্রেনেও সন্ত্রাসবাদ রফতানি করছে।”

XS
SM
MD
LG