আরএসএফ নামে পরিচিত সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস, শুক্রবার জানিয়েছে, ইরানে সাংবাদিকদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার এবং " তথ্য প্রকাশের স্বাধীনতায়" আক্রমণের অভিযোগে জাতিসংঘের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।
"ভুলভাবে" হিজাব পরার অপরাধে এক তরুণীকে গ্রেপ্তার এবং পরবর্তীতে পুলিশ হেফাজতে থাকার সময় তার মৃত্যুতে ইরান জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পরই সাংবাদিকদের উপর এই দমন-পীড়ন শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আরএসএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, জাতিসংঘের নয়টি বিশেষ কার্যপ্রণালী প্যানেলের কাছে দায়ের করা অভিযোগটিতে রয়েছে, "ইরানে গণঅভ্যুত্থান শুরু হওয়ার পর থেকে সাংবাদিকদের উপর নাটকীয় দমন-পীড়ন যে অনেক রূপ গ্রহণ করছে তার বিস্তারিত বিবরণ, যার মধ্যে রয়েছে নির্বিচারে আটক, আটক- পরবর্তী অমানবিক অবস্থা, প্রতিরক্ষা অধিকার লঙ্ঘন, শারীরিক সহিংসতা, হুমকি ও হয়রানি, ওয়ারেন্ট ছাড়াই অনুসন্ধান এবং সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করা।"
আরএসএফ আরও বলেছে, "ইরানি পিতৃতান্ত্রিক শাসনের নিষ্ঠুর শিকারের মধ্যে অন্যতম নারী সাংবাদিকরা ।"
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বিদেশি গণমাধ্যমকে চুপ করানোর ইরানের প্রচেষ্টারও নিন্দা জানিয়েছে আরএসএফ।
ইরানে কাজ বন্ধ করে দেয়া সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্য এবং তাদের দেশটিতে থাকা সম্পত্তি র উপর আঘাত আসতে পারে বলেও ধারনা করা হচ্ছে।
আর এস এফের প্রধান ডেলোয়ার বলেন, 'স্বাধীন গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের অধিকার লঙ্ঘনের ফলে বাকি বিশ্বের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের অনেক ক্ষেত্রেই এর প্রভাব পড়বে।
এ মাসের শুরুর দিকে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোরের মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি যারা দেশের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলার জন্য মিথ্যা প্রচার করে, বা অন্যভাবে এসবে মদদ দিচ্ছে তাদের সেগুলো বন্ধ করতে বলে সতর্ক করেন।