অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে ডেঙ্গু সংক্রমণে আরও ২ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১০২০ জন


ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা। (ফাইল ছবি)

বাংলাদেশে রবিবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৬ জনের।একই সময়ে নতুন ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত হয়েছেন ১০২০ জন।

রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে ৬১৮জন ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং বাকি ৪০২ জন ভর্তি হয়েছেন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে। বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে ডেঙ্গু আক্রান্ত তিন হাজার ৬৩০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে, ঢাকায় দুই হাজার ৩৫০ জন এবং এক হাজার ২৮০ জন রোগী ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৩৭ হাজার ১৫১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ২৫ হাজার ৪৭১ জন এবং ঢাকার বাইরে ভর্তি হয়েছেন ১১ হাজার ৬৮০ জন ডেঙ্গু রোগী।

অন্যদিকে, চিকিৎসা শেষে ৩৩ হাজার ৩৮৫ জন ছাড়পত্র নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন। এদের মধ্যে ২৩ হাজার ৪১ জন ঢাকার এবং বাকি ১০ হাজার ৩৪৪ জন ঢাকার বাইরের বাসিন্দা।

এবছর পরিস্থিতির অবনতি দেখছি: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেছেন, “২০১৯ সাল থেকে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছি। ২০২০ সালে তুলনামূলকভাবে সফলতা দেখাতে সক্ষম হয়েছি। ২০২২ সালে পরিস্থিতির অবনতি লক্ষ করছি।

রবিবার সারা দেশে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ সংক্রান্ত পঞ্চম আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, “অন্য দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে ডেঙ্গুর বিস্তার কম হলেও, আমরা ভালো করতে চেয়েছি। আমরা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে চাই।”

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, “মশা নিধনের জন্য যেসব উপকরণ প্রয়োজন সেগুলো এবং মশা মারার ওষুধ বছরের শুরুতেই সংগ্রহ করা হয়। এ খাতে তিন হাজার লোকবল দেওয়া হয়েছে এবং এ জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।”

XS
SM
MD
LG