অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সোমালিয়ায় ইসলামিক স্টেটের কাছে অস্ত্র পাচারকারিদের টার্গেট করছে যুক্তরাষ্ট্র


মার্কিন নৌবাহিনী কর্তৃক প্রকাশিত ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১ এর এই ছবিতে কালাশনিকভ-স্টাইলের রাইফেল এবং রকেট-চালিত গ্রেনেড লঞ্চার সহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র দেখা যায়, যা সোমালিয়ার উপকূলে একটি চোরাচালানকারী জাহাজ থেকে জব্দ করা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র সোমালিয়ায় ইসলামিক স্টেট (আইএস)এর সহযোগী সংগঠনের কাছে অস্ত্রের প্রবাহ বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তারা চোরাচালানের মাধ্যমে আল-কায়েদার সাথে যুক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী আল-শাবাবকে ইরান থেকে অস্ত্র দিয়ে সজ্জিত করতে সহায়তা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট মঙ্গলবার ইয়েমেন ও সোমালিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ লক্ষ ডলারের অস্ত্র পাচারের প্রচেষ্টার সাথে জড়িত আট ব্যক্তি এবং একটি সংস্থার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে।

অভিযুক্তদের মধ্যে আব্দিরহমান ফাহিয়ে, আইএস-সোমালিয়ার প্রতিদিনের অভিযানের নেতৃত্ব দেন বলে অনুমান করা হয়। তাছাড়া আছেন, আইএস-সোমালিয়ার গোয়েন্দা শাখার প্রধান মোহাম্মদ আহমেদ কাহিয়ে এবং আইএস-এর হয়ে কাজ করা সাবেক জলদস্যু ইসে মোহামুদ ইউসুফ।

সন্ত্রাসবাদ এবং আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার আন্ডারসেক্রেটারি ব্রায়ান নেলসন এক বিবৃতিতে বলেন, এই নিষেধাজ্ঞাগুলি "আইএসআইএস-সোমালিয়া এবং আল-শাবাব উভয়কেই অর্থায়ন এবং সরবরাহ করে এমন সব নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কাজ করবে”।

ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের মঙ্গলবারের পদক্ষেপটির লক্ষ্য আল-শাবাবের অর্থ সংগ্রহের ক্ষমতাকে পঙ্গু করে দেওয়া।

মার্কিন ট্রেজারি কর্মকর্তাদের মতে, এটি একটি বড় ব্যবসা যাতে ইরানও অন্যান্য চোরাচালানিদের মতই উপার্জনের একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে।

আইএস-সোমালিয়ার সদস্য ও অস্ত্র চোরাচালানকারী আব্দিরহমান মোহাম্মদ ওমর গত চার বছরে ২০ লাখ ডলারেরও বেশি লেনদেন সম্পন্ন করেছেন বলে জানা গেছে। তিনি এর মাধ্যমে একে-৪৭ মেশিনগান ও রকেট চালিত গ্রেনেডের মতো অস্ত্রও সংগ্রহ করেছেন নিজ দলের এবং আল-শাবাবের জন্য।

এমনকি আইএস-সোমালিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করার বাইরে নন।

তবে সমস্ত অস্ত্র এবং অর্থ কোথায় যাচ্ছে তা নিয়ে সাম্প্রতিক কিছু গোয়েন্দা অনুমানের ভিত্তিতে এই গোষ্ঠীর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

XS
SM
MD
LG