অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ধর্ষিতার ‘টু ফিঙ্গার’ টেস্টের ওপর ভারতের নিষেধাজ্ঞাকে স্বাগত জানিয়েছে সক্রিয় কর্মীরা


নয়াদিল্লিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ভবন। ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬। ফাইল ছবি।

অ্যাডভোকেসি গ্রুপগুলো ধর্ষণের শিকারদের টু ফিঙ্গার টেস্ট নিষিদ্ধ করা সংক্রান্ত ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্ট এটিকে পিতৃতান্ত্রিক এবং আগ্রাসী প্রক্রিয়া বলে অভিহিত করেছে এবং বলেছে কেউ এই নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে অসদাচরণের অভিযোগের মুখোমুখি হবে।

একজন নারীর যৌন মিলন ঘটেছে কিনা তা নির্ধারণ করতে চিকিৎসকরা টেস্টটি ব্যবহার করে থাকেন।

সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলোকে নিশ্চিত করতে বলেছে যে, ধর্ষণের শিকার ব্যক্তির টু ফিঙ্গার টেস্ট আর করা যাবে না।

২০১৩ সাল থেকে সুপ্রিম কোর্ট বলছে যে, এই টেস্ট এবং এর ব্যাখ্যা ভিক্টিমের গোপনীয়তা, শারীরিক এবং মানসিক মর্যাদার অধিকারকে লঙ্ঘন করে। মহারাষ্ট্র-ভিত্তিক কর্মী এবং চিকিৎসক ইন্দ্রজিত খান্দেকার বলেছেন, এই প্রথম আদালত এটিকে নিষিদ্ধ করেছে এবং টেস্ট পরিচালনাকারী ডাক্তারদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পদক্ষেপ সংযুক্ত করেছে।

ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ খান্দেকার ২০১০ সালে বোম্বে হাইকোর্টে টু ফিঙ্গার টেস্ট নিষিদ্ধ করার জন্য জনস্বার্থে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন।

ডাক্তার রঞ্জনা পারধি দীর্ঘদিন ধরে টু ফিঙ্গার টেস্টের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বেশ কয়েকটি মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে হাইমেন যৌন সম্পর্ক বা অন্য কোনো যৌন ইতিহাসের চূড়ান্ত প্রমাণ দিতে পারে না।

পারধি আরও বলেন, টেস্টের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানো কর্মীরা আশাবাদী যে, তাদের দীর্ঘ লড়াই অবশেষে ফলপ্রসূ হবে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, প্রয়োগ না হলে এটি সফল নাও হতে পারে।

XS
SM
MD
LG