অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

গাইবান্ধা-৫ আসনে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হবে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পর: সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল


বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের লোগো।

বাংলাদেশের গাইবান্ধা-৫ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনের ভোট বাতিলের বিষয়ে, পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পর সাত দিনের মধ্যে নতুন করে ভোট গ্রহণ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। গত ১২ অক্টোবর নির্বাচনের দিন ব্যাপক অনিয়মের কারণে নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, “নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত একটি কমিটির প্রাথমিক তদন্ত আংশিক ছিল। তাই, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য তাদের পূর্ণ তদন্ত প্রয়োজন।” শনিবার (৫ নভেম্বর) সকালে ফরিদপুর-২ আসনের উপনির্বাচনের ভোট পর্যবেক্ষণ কালে, সাংবাদিকদের কাছে সিইসি এ কথা বলেন।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, “ইসি মাত্র ৫১টি বন্ধ কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছে, গাইবান্ধা-৫ এ বাকি ৯৪টি কেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে। তারপর সমন্বিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

কমিটির নেতৃত্বে থাকা ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ ইসি সচিব হুমায়ুন কবির খন্দকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। গত ১২ অক্টোবর নির্বাচনের দিন ব্যাপক অনিয়মের কারণে নির্বাচন স্থগিত করে ইসি। এর পর, গাইবান্ধা-৫ সংসদীয় আসনে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা তিন মাস বা ২০২৩ সালের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে কমিশন।

নির্বাচনে অনিয়মের তদন্ত মুলতবি থাকা অবস্থায় নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কি-না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেই ইসির। তবে, ইসি বলেছে যে একটি আসন শূন্য হওয়ার পর, নির্বাচন অনুষ্ঠানের নিয়ম অনুসরণ করার সময়সীমা ৯০ দিন বাড়ানো হয়েছে।

২০২২ সালের ২২ জুলাই গাইবান্ধা-৫-এর সংসদ সদস্য ও সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুর পর, ২০২২ সালের ২০ অক্টোবরের মধ্যে সংসদীয় আসনের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠান ছিল সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।

XS
SM
MD
LG