অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

জ্বালানি উৎসের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন


জ্বালানি উৎসের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, “সরকার বেশ কয়েকটি বন্ধুপ্রতিম দেশের সঙ্গে সফল আলোচনার মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহের জন্য তার উৎসের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করেছে।” তিনি বলেন, “আমাদের আগে সীমিত উৎস ছিল। এখন, আমরা উৎস সংখ্যা বাড়িয়েছি। আমরা এটি খুব সফলভাবে করেছি।”

মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) খেলার মাঠে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন আব্দুল মোমেন।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, “ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে, সরবরাহ শৃঙ্খল ও আর্থিক লেনদেন বাধাগ্রস্ত হওয়ায়, জ্বালানি সংকট এখন বৈশ্বিক সংকট।”

ড. মোমেন কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মন্ত্রীদের সঙ্গে তার সফল আলোচনার কথা উল্লেখ করেন; বলেন, “ঐ সব দেশে প্রচুর তেল মজুদ রয়েছে। আর, ব্রুনাই, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো বাংলাদেশে গ্যাস সরবরাহ করতে ইচ্ছুক।”

আব্দুল মোমেন আরও বলেন, “এমনকি, বাংলাদেশ কোনো সংকটের সম্মুখীন হলে, চীন জ্বালানি সরবরাহ করতে ইচ্ছুক। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আরও জাতি আসছে।”

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন জানান যে বাংলাদেশ শিগগিরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবে এবং দেশে জ্বালানির প্রাপ্যতা থাকবে। “দেশের কল্যাণে যা যা করা দরকার আমরা তাই করবো;” বলেন আব্দুল মোমেন।

এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলেন, “দেশে ডলারের কোনো সংকট নেই। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের জন্য আমদানি বিল হিসেবে,এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (এসিইউ) ১৩৫ কোটি ডলার পরিশোধ করার পর এবং এলসি দায় মেটানোর জন্য ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার খরচ করার পর, ৭ নভেম্বর শেষে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩,৪৩০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।”

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান যে বৈদেশিক মুদ্রার কোনো অভাব নেই। কয়েক মাসের আমদানির জন্য যা আছে তা যথেষ্ট অর্থ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

XS
SM
MD
LG