ইউক্রেন বৃহস্পতিবার রাশিয়ার কাছ থেকে তার দক্ষিণের শহর স্নিহুরিভকা পুনরুদ্ধারের দাবি করেছে। মাইকোলাইভ অঞ্চলে রাশিয়ার দখলদারিত্বে থাকা সর্বশেষ অবশিষ্ট শহর এবং খেরসন শহরের নিয়ন্ত্রণের জন্য কৌশলগত অবস্থান ছিল এই শহরটি।
"আজ, ১০ নভেম্বর, জয় ইউক্রেন, স্নিহুরিভকা শহর ১৩১ তম সেপারেট ইন্টেলিজেন্স ব্যাটালিয়ন দ্বারা মুক্ত হয়!" ইউক্রেনের জাতীয় টেলিভিশন আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা ভিডিওটিতে একজন সৈন্যকে চিৎকার করে একথা বলতে শোনা যায়। রয়টার্স জানিয়েছে, বেসামরিক নাগরিকেরা তখন হাততালি দিচ্ছিল।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বুধবার বলেছেন, মস্কোর সৈন্যরা দক্ষিণ ইউক্রেনের প্রধান শহর খেরসন থেকে পশ্চাদপসরণ করছে। যদিও ইউক্রেনের কর্মকর্তারা সন্দেহ প্রকাশ করে যড়যন্ত্রের আশংকা করছেন।
যদিও এই ধরনের প্রত্যাহার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্য একটি বড় ধাক্কা । তবে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, কিয়েভের মস্কোর সাথে আলোচনা এগিয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে কিনা, এ ব্যাপারে বুধবার কোন মন্তব্য করেননি।
তিনি বলেন, "ইউক্রেন রাশিয়ার সঙ্গে আপোস করতে প্রস্তুত কি না, তা নিয়ে কোনো রায় হবে কি না, তা দেখার বিষয়। আমি জি-২০ তে যাচ্ছি। আমাকে বলা হয়েছে , প্রেসিডেন্ট পুতিনের সেখানে থাকার সম্ভাবনা নেই। তবে অন্যান্য বিশ্ব নেতারা ইন্দোনেশিয়ায় সেখানে উপস্থিত থাকবেন এবং পরবর্তী পদক্ষেপগুলি কী হতে পারে তা দেখার সুযোগ আমাদের কাছে থাকবে।"
প্রতিরক্ষা প্রধান সের্গেই শোইগু, রাশিয়ার শীর্ষ সামরিক নেতাদের সাথে একটি টেলিভিশন বৈঠকে এই ঘোষণা দেন যে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তটি কঠিন থাকলেও, তা "সৈন্যদের জীবন রক্ষা করবে এবং বাহিনীর প্রস্তুতিতে কাজে দিবে।"
ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা মাইখাইলো পোডোলিয়াক টুইটে লিখেন, তিনি মনে করেন কিছু রাশিয়ান বাহিনী খেরসনে থাকতে পারে। ইউক্রেন তার নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শহরটিকে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত ঘোষণা করবে, টেলিভিশনে সম্প্রচারিত রুশ বিবৃতির ভিত্তিতে নয়।
এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য রয়টার্স থেকে নেয়া হয়েছে।