বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়া দেশটির পূর্ব জলসীমার দিকে একটি স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্র দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানের প্রতি নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিকে জোরদার করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে “কঠোরতর” সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখানোর হুমকি দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পরে এই উত্তর কোরিয়া এই উৎক্ষেপণ করে ।
দক্ষিণ কোরিয়া জানায়, সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলীয় ওনসান এলাকা থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি কোরীয় উপদ্বীপ এবং জাপানের মধ্যবর্তী সাগরে অবতরণ করেছে।
৮ দিনের মধ্যে এটি উত্তর কোরিয়ার প্রথম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তার এক নাগাড়ে পরীক্ষাগুলোর মধ্যে এটি ছিল সর্ব সাম্প্রতিক পরীক্ষা।
যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা বলছেন, উত্তর কোরিয়া উত্তর-পূর্বে তাদের দূরবর্তী পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষামূলকভাবে পারমাণবিক বিস্ফোরণ চালানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। কোন কোন বিশেষজ্ঞ বলছেন, যদি এই পরীক্ষাটি করা হয়, এর উদ্দেশ্য হবে - স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রে এমন পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপন করা যা দক্ষিণ কোরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির মতো মূল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারবে।
শি জিনপিং-এর সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বাইডেন উল্লেখ করেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সকল সদস্যের উত্তর কোরিয়াকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে উৎসাহিত করার আগ্রহ রয়েছে। এদিকে ইউন উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় চীনকে আরও সক্রিয় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন।
উত্তর কোরিয়াকে সহায়তার বৃহত্তম উৎস এবং দেশটির সর্বশেষ প্রধান মিত্র হলো চীন। উত্তর কোরিয়ার ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার সম্পূর্ণ প্রয়োগ এড়াতে এবং কোরীয় উপদ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে চীন উত্তর কোরিয়াকে গোপনে সহায়তা পাঠায় বলে সন্দেহ করা হয়।