অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইবোলা মোকাবেলায় উগান্ডায় স্কুল বন্ধ, নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে


ফাইল - উগান্ডার কাম্পালায় ২৭ অক্টোবর ইবোলা প্রাদুর্ভাব এবং সতর্কতার মধ্যে একটি ইবোলা-বিরোধী অ্যাডভোকেসি ভ্যান কেয়াডোন্ডো রাস্তায় দেখা যাচ্ছে।

উগান্ডা ইবোলা রোগ বিস্তার রোধে শুক্রবার দেশব্যাপী স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে। তবে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এএফপিকে জোর দিয়ে বলেছেন যে নতুন করে ঐ রোগে সংক্রমণের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।

অত্যন্ত সংক্রামক এই ব্যাধিতে আট জন শিশুর মৃত্যুর পর এই মাসের শুরুতে স্কুলের শিক্ষা বছর শেষ হওয়ার দুই সপ্তাহ আগে স্কুল বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেন রুথ এসেং এএফপিকে বলেছেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে রাজধানী কাম্পালা এবং মুবেন্ডে ও কাসান্ডা যেখানে সংক্রমণ সবচাইতে বেশী ছড়িয়ে ছিল সেখানে নিবন্ধিত নতুন সংক্রমণের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।

উগান্ডার ডব্লিউএইচও অফিস বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ২২ নভেম্বর পর্যন্ত কাম্পালায় নয় দিন, মুবেন্ডেতে ১০ দিন এবং কাসান্ডায় ১২ দিন ইবোলায় কোনো সংক্রমণের খবর ঘোষণা করা হয়নি।

উগান্ডার কর্তৃপক্ষের মতে, ইবোলা প্রাদুর্ভাবে জানা ১৪১ জনের সংক্রমণের মধ্যে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। কর্তৃপক্ষ মুবেন্ডে এবং কাসান্ডায় লকডাউন জারি করেছে।

গৃহীত পদক্ষেপগুলির মধ্যে রয়েছে সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত কারফিউ, ব্যক্তিগত ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি এবং বিপণী কেন্দ্র, পানশালা এবং গির্জা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

কাম্পালার একটি স্কুলের এক অভিভাবক এএফপিকে বলেন তার সন্তানকে নিজ বাড়িতে রেখে তিনি স্বস্তি বোধ করছেন।

ডাব্লিউএইচও’র মতে, এই রোগের প্রাদুর্ভাব শেষ তখনই হয় যখন টানা ৪২ দিনের মধ্যে নতুন করে কোনও সংক্রমণ না ঘটে – যা রোগের ইনকিউবেশন সময়ের দ্বিগুণ।

বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া নতুন ধরণের স্ট্রেনটি সুদান ইবোলা ভাইরাস নামে পরিচিত। এই ভাইরাসের কোনও ভ্যাকসিন নেই যদিও বেশ কয়েকটি সংস্থা ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু করার দিকে এগিয়ে চলেছে।

ইবোলা মানুষের শরিরের তরল পদার্থের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর সাধারণ লক্ষণগুলি হল জ্বর, বমি বমি ভাব, রক্তপাত এবং ডায়রিয়া।

এই রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন বিশেষ করে শহুরে এলাকায়।

XS
SM
MD
LG