অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বিক্ষোভের পর কোভিড বিধিনিষেধ আরও শিথিল করেছে চীন


মাস্ক পরা অবস্থায় এক শিশু, স্কুটার চালিয়ে লকডাউনে বসবাসকারীদের কাছ থেকে কোভিড নমুনা সংগ্রাহ করার জন্য প্রতিরক্ষামূলক স্যুট পরা একজন কর্মচারীর পাশ দিয়ে যাচ্ছে। বেইজিং, ১ ডিসেম্বর, ২০২২।

লকডাউনের অবসান এবং আরও রাজনৈতিক স্বাধীনতার আহ্বান জানিয়ে দেশব্যাপী বিক্ষোভের মধ্যে শুক্রবার শহরগুলোতে কোভিড বিধিনিষেধ, পরীক্ষা এবং কোয়ারেন্টিন বিধান আরও শিথিল করেছে চীন।

চীনের কঠোর কোভিড বিধিনিষেধের ফলে জনগণের মধ্যে যে ক্রোধ এবং হতাশার সৃষ্টি হয়, সপ্তাহান্তে তা বিক্ষোভে রূপ নেয় এবং দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। চীনে এমন বিক্ষোভ কয়েক দশকের মধ্যে দেখা যায়নি।

চীনজুড়ে অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে বেশ কয়েকটি শহর কোভিড-১৯ বিধিনিষেধ শিথিল করা শুরু করেছে। এর মধ্যে রয়েছে দৈনিক গণ-পরীক্ষা বন্ধ করা। এটি চীনা কর্তৃপক্ষের কঠোর জিরো কোভিড নীতির অধীনে জীবনযাত্রার একটি ক্লান্তিকর অধ্যায়।

একই সময়ে, কর্তৃপক্ষ সড়কে কঠোর নিরাপত্তা,সম্পূর্ণ অনলাইন সেন্সরশিপ এবং গণসমাবেশের ওপর নজরদারিসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

জানুয়ারিতে জিয়ান শহরে একজন গর্ভবতী নারী পিসিআর পরীক্ষার ফলাফল না থাকায়, হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেননি; ফলে তার গর্ভপাত হয়ে যায়।

কোভিড বিধিনিষেধের কারণে চিকিৎসা বিলম্বিত হওয়ায়, চীনে বহু মৃত্যুর ঘটনা

ঘটেছে। সম্প্রতি ৪ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়, যে কিনা তার বাবার সাথে কোয়ারেন্টিনে আটকে ছিল।

উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের উরুমকিতে, আগুনে ১০ জনের মৃত্যু হওয়ার পর লকডাউন বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। কর্তৃপক্ষ শুক্রবার ঘোষণা করেছে যে, উরুমকি এলাকার বিপণী কেন্দ্র, হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং স্কি রিসোর্টগুলো ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হবে।

৪০ লাখের বেশি বাসিন্দার শহরটি, চীনের দীর্ঘতম সময় ধরে লকডাউনের অধীনে থাকা শহরগুলোর মধ্যে একটি। এই শহরের কিছু এলাকা আগস্টের শুরুতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

XS
SM
MD
LG