অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

নিহত আইএস নেতার নেতৃত্ব নেয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র তার সম্পর্কে জানতো


সিরিয়ার হাসাকেহে আইএস যোদ্ধাদের কাছে ইসলামিক স্টেটের একটি পতাকা এবং অন্যান্য জিনিসপত্র দেখা যাচ্ছে। ২১ জানুয়ারি, ২০২২। ফাইল ছবি।

গত অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের নেতার মৃত্যুর বিষয়টি দ্রুত নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছিল কারণ তিনি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নেতৃত্ব নেয়ার অনেক আগে থেকেই তার সাথে হওয়া একটি সংঘাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তার ডিএনএ এবং অন্যান্য বায়োমেট্রিক ডেটা ছিল

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা এখনো সেই ব্যক্তির আসল পরিচয় প্রকাশ করতে অস্বীকার করছেন। বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষের কাছে ওই ব্যক্তি তার ছদ্ম নাম , আবু আল-হাসান আল-হাশিমি আল-কুরাশি নামে পরিচিত।

যুক্তরাষ্ট্রের একজন সামরিক কর্মকর্তা ভয়েস অফ আমেরিকাকে বলেন, আইএস’র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আবু আল-হাসান সর্বশেষ উত্তরাধিকারী নেতাদের একজন ছিলেন এবং তার মৃত্যুর সাথে সাথে আইএস’র নেতৃত্ব নতুন একটি প্রজন্মের হাতে চলে গেছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে যখন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনীর অভিযানে আইএস নেতা আবু ইব্রাহিম আল-হাশিমি আল-কুরাশি, যিনি হাজি আব্দুল্লাহ নামেও পরিচিত, নিহত হন, সেই সময় থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬ জন উর্ধ্বতন আইএস কর্মকর্তা নিহত বা আটক হয়েছেন।

উত্তর সিরিয়া জুড়ে আইএস নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করা এবং নির্মূল করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার সহযোগী বাহিনীর সাফল্য আবু আল-হাসানের দক্ষিণ সিরিয়ায় আশ্রয় নেয়ার একটি কারণ হতে পারে। সেখানে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মাত্র কয়েক শ’ যোদ্ধা রয়েছে বলে মনে করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা ভয়েস অফ আমেরিকাকে বলেছেন, ফ্রি সিরিয়ান আর্মি একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে তাদের সাথে যোগাযোগ করেছিল। ফ্রি সিরিয়ান আর্মির নেতারা জানতো যে, তারা আইএস’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরকে অনুসরণ করছে, তারা আসলে কাকে হত্যা করা হয়েছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত নয়।

আর আইএস দক্ষিণ সিরিয়াকে আশ্রয় হিসেবে ব্যবহার করতে থাকবে কি না তা নিয়েও কিছুটা সন্দেহ রয়েছে।

XS
SM
MD
LG