অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বিশ্বকাপের দর্শকদের জন্য ইসলামী শিল্প ও ঐতিহ্য জানার সুযোগ করে দিয়েছে কাতার


কাতারের রাজধানী দোহা’র মিউজিয়াম অফ ইসলামিক আর্ট-এ দর্শনার্থীরা একটি ইরানী কার্পেট দেখছেন, ২২ নভেম্বর ২০২২।

দোহা’র মিউজিয়াম অফ ইসলামিক আর্ট (ইসলামী শিল্প যাদুঘর) আগত দর্শনার্থীদের মুসলিম ঐতিহ্য, শিল্প ও কারিগরীর বৈচিত্র্যময় আঙ্গিকগুলোকে এক নজর দেখার সুযোগ করে দেয়। তিনটি মহাদেশ ও কয়েক শতকের জিনিসপত্র রয়েছে যাদুঘরটির প্রদর্শনীতে।

এক মুঘল সম্রাটের জন্য খোদাই করা একটি পান্না। সাফাভিদ আমলের একটি গিঁটবাধা পশমী গালিচা। ধাতব সুতার সূক্ষ কারুকার্যখচিত অটোম্যান আমলের একটি কাপড়, যেটি কাবা শরীফের গিলাফ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

দোহার মত একটি রাজধানী, যেখানে প্রায় সবই নতুন, সেখানে এই যাদুঘরটিতে প্রদর্শিত হয়েছে পুরানো ও ঐতিহাসিক আমলের অনেক কিছু। সারা বিশ্ব থেকে যখন ফুটবল ভক্তরা কাতারে এসেছেন, তখন এই যাদুঘরটিতেও আরও অনেক বেশি দর্শনার্থী সমাগম ঘটছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দর্শনার্থীরা সেখানে গিয়ে ছবি তুলছেন, প্রদর্শনীতে রাখা জিনিসগুলো দেখছেন ও তা সম্পর্কে জানছেন, সেগুলোর বর্ণনাগুলো পড়ছেন বা বই ও স্যুভেনির-এ সাজানো তাকগুলোতে চোখ বুলাচ্ছেন। দর্শনার্থীদের অনেককেই ফুটবলের জার্সি বা স্কার্ফ পরে সেখানে আসতে দেখা গিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বার্ট লিউ বলেন, “[যাদুঘরটির] স্থাপত্যশৈলী অত্যন্ত সুন্দর। এছাড়াও, আমার ভেতরের প্রদর্শনীগুলোও ভালো লেগেছে; সেগুলো খুবই মনোমুগ্ধকর। আগে আমি ইসলামী ইতিহাস সম্পর্কে খুবই কম জানতাম কিন্তু অনেকগুলো জিনিস দেখার পর, আমার মনে হয়েছে আমি আরও শিখতে পেরেছি।”

কাতারের কর্মকর্তারা বলছেন তারা আশাবাদী যে, বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতাটি আগত দর্শকদের কাতার এবং বৃহত্তর অঞ্চলটি সম্পর্কে আরও বেশি করে জানতে ও বুঝতে সাহায্য করবে। বিশ্বকাপের আয়োজক এই দেশটি অধিকার সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অভিবাসী কর্মীদের প্রতি তাদের আচরণ, এবং “স্পোর্টস-ওয়াশিং” এর অভিযোগ এই যে তারা এই প্রতিযোগিতার মর্যাদাকে ব্যবহার করে নিজেদের ভাবমূর্তি পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে।

XS
SM
MD
LG