অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বিইআরসি দেরি করলে, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ


বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, “বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) খুচরা বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব-এর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করলে, বিদ্যুৎ বিভাগ সিদ্ধান্ত নেবে।” মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি আয়োজিত এক বৈঠকের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

বিইআরসি আইন-২০১০ সংশোধনের পর জ্বালানি নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এটি সরকারকে গণশুনানির প্রক্রিয়া ছাড়াই বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানোর কর্তৃত্ব দেয়। যদি বিইআরসি খুব বেশি সময় নেয়, তাহলে মূল্য সমন্বয় ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার নিজেই সিদ্ধান্ত নেবে।”

নসরুল হামিদ বলেন, “সাধারণত বিইআরসি মূল্য সমন্বয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে তার নিজস্ব প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে। ‘তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।”

বিইআরসি ২১ নভেম্বর থেকে প্রায় ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বাল্ক বিদ্যুতের শুল্ক বাড়িয়েছে; যা ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে। পরে, ভোক্তা পর্যায়ে খুচরা বিদ্যুতের শুল্ক ১৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে দেখে, ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা বিইআরসিতে তাদের নিজ নিজ প্রস্তাবনা জমা দেয়।

এরপর, এক সপ্তাহের মধ্যে কমিশনের গণশুনানি এবং সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা না করে, বিশেষ পরিস্থিতিতে জ্বালানি শুল্ক নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারকে দেওয়ার জন্য ২৮ নভেম্বর মন্ত্রিসভা বিইআরসি অধ্যাদেশ-২০২২ এর একটি সংশোধনী অনুমোদন করে।

নসরুল হামিদ বলেন, “সরকার সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ দিতে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু পরিস্থিতি সরকারের হাতে নেই, কারণ আমাদের প্রাথমিক জ্বালানি আমদানির জন্য বিশ্ববাজারের ওপর নির্ভর করতে হবে। জ্বালানি মূল্যের বৈশ্বিক নিম্নমুখী প্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার পেট্রোলিয়াম জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের কথা ভাবছে।”

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি তিন মাসে একবার দাম সমন্বয় করতে পারি কি-না, তা আমরা কর্মকর্তাদের পরীক্ষা করতে বলেছি।”

XS
SM
MD
LG