ফ্রান্স মঙ্গলবার একটি সম্মেলনে আন্তর্জাতিক দাতাদের একত্রিত করেছে। ইউক্রেনের অবকাঠামোর ওপর রাশিয়ার আক্রমণ মোকাবিলায় সহায়তার ওপর দৃষ্টি দিয়ে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বৈঠকে সরকারি প্রতিনিধিদের পাশাপাশি কোম্পানি এবং ত্রাণ সংস্থাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর লক্ষ্য ইউক্রেনকে অর্থ এবং সরঞ্জাম উভয়ই সরবরাহ করার মাধ্যমে রাশিয়ার আক্রমণ সত্ত্বেও বিদ্যুৎ এবং বিদ্যুতের মতো অবকাঠামো চালু রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামগুলো সরবরাহ করা
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, রাশিয়া “ইউক্রেনীয় জনগণকে হতাশার মধ্যে নিমজ্জিত করার” চেষ্টা করছে এবং এই সম্মেলনের লক্ষ্য হলো ইউক্রেনের জনগণকে “এই শীতের মধ্য দিয়ে যেতে” সহায়তা করা।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। তিনি সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের বলেছেন, তার দেশের সৈন্যদের জন্য যেমন সাঁজোয়া যানের প্রয়োজন তেমনি বৈদ্যুতিক জেনারেটরও প্রয়োজন।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন বলেন, ইউক্রেনের হাসপাতালগুলোতে বিদ্যুৎ সহায়তা করার জন্য ইইউ ৪০টি জেনারেটর এবং সারা দেশে অন্যান্য স্থাপনায় ব্যবহারের জন্য ৮০০টি জেনারেটর সরবরাহ করছে।
হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জি-৭ “গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, বিশেষত জ্বালানি এবং পানি পরিষেবা এবং ইউক্রেন জুড়ে শহরগুলোকে লক্ষ্য করে রাশিয়ার ক্রমাগত অমানবিক এবং নৃশংস হামলার নিন্দা জানিয়েছে।”
অক্টোবর থেকে রাশিয়া ইউক্রেনের বিদ্যুৎ স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করে আক্রমণ চালাচ্ছে। জেলেন্সকি বলেছেন, বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করে চালানো আক্রমণ যুদ্ধাপরাধ; অন্যদিকে মস্কো বলছে, তারা সামরিকভাবে বৈধ আক্রমণ চালাচ্ছে।
সোমবার নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের সেক্রেটারি-জেনারেল জ্যান এগল্যান্ড বলেছেন, “বাসের অযোগ্য” অবস্থার কারণে তিনি শীতকালে ইউক্রেন থেকে ইউরোপে আরও কয়েক হাজার শরণার্থীর আগমন ঘটবে বলে ধারণা করছেন।