অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট রাশিয়ায় নতুন রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ নিশ্চিত করেছে


মস্কোয় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস। (ফাইল ছবি- এপি)

রাশিয়ায় নতুন রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ নিশ্চিত করতে, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট বুধবার নিয়োগের পক্ষে ব্যাপকহারে ভোট দিয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি’র ঐতিহাসিক সফরে ওয়াশিংটন পৌঁছানোর কয়েক ঘন্টা আগে, সিনেটররা অভিজ্ঞ (প্রবীণ) কূটনীতিক লিন এম ট্রেসিকে রাশিয়ায় নতুন রাষ্ট্রদূত হিসাবে ৯৩-২ ভোটে তার নিয়োগ নিশ্চিত করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, ইউক্রেন যখন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আক্রমণের বিরুদ্ধে লড়ছে, তখন এই নিয়োগ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির ইঙ্গিত বহন করে।

সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা চাক শুমার চেম্বারের অধিবেশন শুরু করেন। এ সময় তিনি বলেন, বুধবার ইউক্রেনের জন্য একটি নতুন ৪৫০০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা প্যাকেজ অনুমোদন এবং রাশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ নিশ্চিতকরণ এমন একটি শক্তিশালী সংকেত পাঠাবে যে, আমেরিকার জনগণ "দ্ব্যর্থহীনভাবে" ইউক্রেনীয় জনগণের পাশে রয়েছে।

শুমার বলেন, ফরেন সার্ভিসের পেশাদার সদস্য ট্রেসিকে, "পুতিনের মুখোমুখি দাঁড়ানোর দায়িত্ব দেওয়া হবে।" তিনি এর আগে আর্মেনিয়ায় রাষ্ট্রদূত হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।ট্রেসির নিয়োগের বিরোধিতা করে ভোট দিয়েছেন মাত্র দুজন রিপাবলিকান সিনেটর। ইউটাহ-এর মাইক লি এবং কেন্টাকির র‌্যান্ড পল, উভয়েরই ইউক্রেনের প্রতি প্রশাসনের সমর্থন প্রদান নিয়ে সংশয় রয়েছে।

ট্রেসি মস্কোতে একটি দূতাবাসের তত্ত্বাবধান করবেন। যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া সম্পর্ক, ইউক্রেনে যুদ্ধের কারণে অবনতি হওয়ায় এবং বেশ কয়েকটি দীর্ঘস্থায়ী ও যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কহীন কূটনৈতিক বিরোধ এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে মতানৈক্যের কারণে সৃষ্ট জটিলতায় ঐ দূতাবাসের কর্মী সংখ্যা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

রুশ ভাষায় পারদর্শি ট্রেসি, এর আগে পররাষ্ট্র দপ্তরের ইউরোপীয় ও ইউরেশীয় বিষয়ক ব্যুরোতে রাশিয়া বিষয়ক সিনিয়র উপদেষ্টা হিসেবে এবং মস্কোতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অফ মিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ায় বেশ কয়েকটি পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

মস্কোতে পূর্ববর্তী যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, জন সালিভান তার প্রত্যাশিত প্রত্যাবর্তনের আগে, সেপ্টেম্বরে তাড়াহুড়ো করে তার স্ত্রীর স্বাস্থ্যগত কারণে ফিরে আসেন।যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার একদিন পরই তার স্ত্রী মারা যান।

ট্রেসি কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে সুপরিচিত। তিনি ২০০৯ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টনের কাছ থেকে পররাষ্ট্র দপ্তরের বীরত্ব পুরষ্কার পেয়েছিলেন।

XS
SM
MD
LG