অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের আগমন প্রত্যাশা করছে হংকং


৩ জুন ২০২১ তারিখে চীনের হংকং এর তোলা একটি ছবি। মহামারীর পর পর্যটকদের আগমনকে স্বাগত জানাচ্ছে হংকং এর ভ্রমণ শিল্প খাত।

চীন যখন ৮ জানুয়ারি থেকে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ বিষয়ক বিধিনিষেধগুলো তুলে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন হংকং - যা কিনা চীনের পর্যটকদের সবচেয়ে পছন্দের গন্তব্যস্থলগুলোর একটি - বিপুল সংখ্যক পর্যটকের আগমনের জন্য আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে।

বিশ্বব্যাংক ও হংকং ট্যুরিজম বোর্ড এর তথ্যানুযায়ী, কোভিড-১৯ আরম্ভের আগে ২০১৯ সালে চীনের বহির্গামী ১৫ কোটি ৪০ লক্ষ পর্যটকের মধ্যে এক তৃতীয়াংশেরও বেশি – ৩৬% - হংকং-এ এসেছিলেন। এই বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলটি সেটির কম দূরত্ব, জনপ্রিয় ক্যান্টোনিজ খাবার এবং কেনাকাটার বিপুল সুযোগের জন্য একটি প্রিয় গন্তব্যস্থল।

চীন কর্তৃপক্ষ সোমবার ঘোষণা দেয় যে, ৮ জানুয়ারি হতে দেশটিতে আগত যাত্রীদের জন্য আর কোয়ারেন্টিনের বাধ্যবাধকতা থাকবে না এবং তারা চীনের নাগরিকদের থেকে বিদেশে যাতায়াতের জন্য পাসপোর্টের আবেদন এবং হংকং ও ম্যাকাউ-এ যাওয়ার জন্য অনুমতির আবেদন গ্রহণ করা আরম্ভ করবে। মঙ্গলবার প্রধান নির্বাহী জন লি ঘোষণা দেন যে, হংকং বুধবার থেকে অবশেষে নিজেদের দুয়ার পুরোপুরি উন্মোচন করবে। এর ফলে বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর কোভিড-১৯ বিধিনিষেধগুলোর কয়েকটির অবসান হতে চলেছে।

লি জানান যে, আগত যাত্রীদের বাধ্যতামূলক পিসিআর পরীক্ষা, টিকা পাস পদ্ধতি, ঘনিষ্ঠদের জন্য কোয়ারেন্টিনের বাধ্যবাধকতা, এবং সামাজিক দূরত্বের পদক্ষেপগুলো বাতিল করবে হংকং।

সরকার ইতোমধ্যেই সেপ্টেম্বরের শেষদিকে আগতদের জন্য কোয়ারেন্টিনের বাধ্যবাধকতা বাতিল করে। এখন একমাত্র মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতাই অবশিষ্ট রয়েছে।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মহামারীর আগে হংকং এর জিডিপি’র ৪.৫% ছিল পর্যটন এবং খাতটিতে প্রায় ২,৫৭,০০০ মানুষ কর্মরত ছিলেন, যা কিনা মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৬.৬%। ২০১৮ সালে হংকং সফর করা ৬ কোটি ৫০ লক্ষ পর্যটকের মধ্যে ৫ কোটি ১০ লক্ষই চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে এসেছিলেন।

XS
SM
MD
LG