অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক


বাংলাদেশের আইন ও বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। (ফাইল ছবি)
বাংলাদেশের আইন ও বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। (ফাইল ছবি)

বাংলাদেশের আইন ও বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, “আমাদের কাছে, শেখ হাসিনা সরকারের কাছে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে যেসব অঙ্গীকার করা হয়েছিল, সেসব অঙ্গীকারের যেগুলো এখনও বাস্তবায়ন হয়নি, সেগুলো শেষ করা। চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো শেষ করাই নতুন বছরের চ্যালেঞ্জ “

রবিবার (১ জানুয়ারি) নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আনিসুল হক বলেন, “শেখ হাসিনা সরকার গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং গণতন্ত্রের শেকড় শক্ত করার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করছে।গণতন্ত্রের বিকাশ শেখ হাসিনার সরকারের আমলেই হয়েছে। এ সরকারের মেয়াদ পাঁচ বছর, পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষে, সংবিধানে যেভাবে বলা আছে ঠিক সেভাবেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশে।” নির্বাচন সঠিকভাবে ও সঠিক সময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো নির্বাচন কী করতে পারবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, “২০১৪ ও ২০১৮ সালে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। এছাড়া যে দল নির্বাচনে আসেনি, সেটা তো আমাদের দায়িত্ব নয়। আগামী নির্বাচন যখন হবে, আশা করব সব দল এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের দায়বদ্ধতা জনগণের কাছে। জনগণের ভোট দেওয়ার যে অধিকার রয়েছে, কেউ যদি তা বাধাগ্রস্ত করে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ আছে কি-না, জানতে চাইলে আনিসুল হক বলেন, “কোনো বিশৃঙ্খলা ঘটানোর চেষ্টা প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আইন রক্ষার্থে আইনানুগভাবে ব্যবস্থা নেবে।

বিভিন্ন সংগঠন মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানাচ্ছে; এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী বলেন, “শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরিবর্তে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলে কথা বলছেন, তারা কিন্তু অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা বলেন না। এক্ষেত্রে তাদের বক্তব্য কতটা বিশ্বাসযোগ্য সেটা আপনারা বিচার করবেন।”

XS
SM
MD
LG