অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

২০১৬ সালের মুদ্রা নিষিদ্ধকরণের সিদ্ধান্তটি বহাল রেখেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট


ভারতের আহমেদাবাদে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারী নিষিদ্ধ ঘোষণা করা ভারতীয় মুদ্রার নোট ও তার পরিচয়পত্রের একটি কপি দেখাচ্ছেন, ১৭ নভেম্বর ২০১৬।

বাজারে প্রচলিত ভারতের মুদ্রার ৮৬% বিমুদ্রাকরণের ২০১৬ সালের সরকারি সিদ্ধান্তটি দেশটির সর্বোচ্চ আদালত বহাল রেখেছে। আদালত জানায় যে, ঐ সিদ্ধান্তটি ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে পরামর্শ করেই গ্রহণ করা হয়েছিল।

পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চের মধ্যে মাত্র একজন বিচারপতি ভিন্নমত পোষণ করেছেন।

সিদ্ধান্তটি বহাল রাখা বাকি চারজন বিচারপতি বলেন যে, ২০১৬ সালের নভেম্বরের মুদ্রা নিষিদ্ধকরণের পদক্ষেপটিতে “কোন ত্রুটি ছিল না”।

ভিন্নমত পোষণকারী বিচারপতি বি. ভি. নাগরত্ন বলেন যে, সিদ্ধান্তটি “অবৈধ” এবং “ক্ষমতার ব্যবহার ছিল, যা কিনা আইনের পরিপন্থী”।

অবৈধভাবে গোপনে মজুদ করা নগদ অর্থ সমূলে উৎপাটন, দূর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই এবং অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন দমন করতে, ২০১৬ সালের নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতে প্রচলিত সব ৫০০ রুপি ও ১,০০০ রুপির নোট বাজার থেকে তুলে নেওয়ার ঐ আকস্মিক সিদ্ধান্তটি নেন।

মুদ্রা নিষিদ্ধকরণটি বিমুদ্রাকরণ হিসেবে পরিচিতি পায়।

মোদীর এই বিমুদ্রাকরণের পদক্ষেপের তাৎক্ষণিক ফলাফলে আর্থিক বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল। নগদ অর্থের উপর নির্ভরশীল হাজার হাজার ভারতীয়কে নিজেদের জমাকৃত অর্থ উত্তোলন করতে ব্যাংক ও এটিএম এর বাইরে লাইন দিতে দেখা গিয়েছিল। এছাড়াও ক্ষুদ্র বাণিজ্যিক ও উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল।

ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেস বলেছিল যে, মুদ্রা নিষিদ্ধকরণটি “একটি একক সর্বনাশা পদক্ষেপ” ছিল।

ভারত পরবর্তীতে নতুন ব্যাংক নোট চালু করে।

XS
SM
MD
LG