জানা যায়, রাত ১২টার দিকে সোহরাওয়ার্দী হলের সামনের সড়কে সিক্সটি নাইন ও ভার্সিটি এক্সপ্রেস গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ-এর সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়। পরে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর আগের দিন, বৃহস্পতিবার রাতেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশন এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছয়জন আহত হয়েছিল।
বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের চিকিৎসক খোন্দকার মো. আতাউল গণি বলেন, “সংঘর্ষের আহত সহকারী প্রক্টর শহীদুল ইসলামের চোখের পাশে ইটের আঘাত লেগেছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, আহত কয়েকজন চিকিৎসা নিয়েছেন। একজনের মাথায় জখম হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
ভার্সিটি এক্সপ্রেস গ্রুপের নেতা ও ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি প্রদীপ চক্রবর্তী জানান, সিক্সটি নাইন গ্রুপের কর্মীরা তাদের ওপর ইটপাটকেল ছুঁড়েছে। পাল্টা জবাব দিয়ে তাদের প্রতিহত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রক্টর রবিউল ভূঁইয়া বলেন, “রাতে দুই পক্ষের ঝামেলা হয়েছিল। পরে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে। দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।”