অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা ইয়েমেনের উদ্দেশে পাঠানো ইরানের অস্ত্র আটক করেছে


ওমান উপসাগরে মাছ ধরার জাহাজ থেকে জব্দকৃত হাজার হাজার একে-৪৭ অ্যাসল্ট রাইফেল ইউএসএস দ্য সুলিভান্স (ডিজিজি ৬৮) এর ফ্লাইট ডেকে রাখা হয়েছে। ছবিটি ২০২৩ সালের ৭ জানুয়ারি তোলা, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর দ্বারা প্রকাশিত।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী বলেছে, তারা গত সপ্তাহে ইয়েমেনের উদ্দেশে আসা অ্যাসল্ট রাইফেলের একটি চালান আটক করেছে। তাদের ধারণা এটি ইরান থেকে এসেছে।

ইউএস ৫ম ফ্লিটের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওমান উপসাগরে একটি মাছ ধরার জাহাজে ২,১১৬ একে-৪৭ অ্যাসল্ট রাইফেল পাওয়া গেছে। জাহাজটি ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের কাছে “ঐতিহাসিকভাবে অবৈধ পণ্য পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত একটি পথ” অতিক্রম করছিল।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনী গত দুই মাসে একই এলাকায় আরও দুটি মাছ ধরার জাহাজ আটক করেছে যেগুলো ইরান থেকে ইয়েমেনে অস্ত্র বহন করছিল।

ইউএস নেভাল ফোর্সেস সেন্ট্রাল কমান্ড, ইউএস ৫ম ফ্লিট এবং কম্বাইন্ড মেরিটাইম ফোর্সের কমান্ডার ভাইস অ্যাডএম ব্র্যাড কুপার বলেছেন, “এই চালানটি ইরানের অস্থিতিশীল কার্যকলাপের একটি ক্রমাগত প্যাটার্নের অংশ।” “এই হুমকির ব্যাপারটা আমরা খেয়াল করছি। নৌ চলাচলের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করে বা আঞ্চলিক নিরাপত্তার সাথে আপোষ করে এমন কোনো সামুদ্রিক কার্যকলাপ সনাক্ত করতে আমরা সজাগ থাকি।”

ইরান বারবার হুথিদেরকে অস্ত্র দেয়ার কথা অস্বীকার করেছে। নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ এবং জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা জব্দ করা চালানে ইরানে ব্যবহৃত উপাদান খুঁজে পেয়েছেন।

২০১৪ সালের শেষের দিকে ইয়েমেনে যখন সংঘাত শুরু হয় তখন হুথিরা রাজধানী দখল করে। ২০১৫ সালের গোড়ার দিকে ইয়েমেনের নির্বাসিত সরকারের পক্ষে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রবেশের ফলে লড়াই আরও ঘনীভূত হয়।

অক্টোবরে ৬ মাসের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং বছরের পর বছর ধরে চলা যুদ্ধের কারণে ইয়েমেনে লাখ লাখ মানুষ মানবিক সহায়তার সংকটে পড়েছে।

এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য এপি থেকে নেয়া হয়েছে।

XS
SM
MD
LG