অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্রে ইউএফও দর্শনের রিপোর্ট সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৫১০ হলো


ওয়াশিংটনের উপর দিয়ে যাওয়ার সময়ে এয়ারফোর্স ওয়ান থেকে পেন্টাগন দেখা যাচ্ছে, ২ মার্চ ২০২২। (ফাইল ফটো)

যুক্তরাষ্ট্র ৫১০টি আনআইডেন্টিফাইড ফ্লাইং অবজেক্ট বা ইউএফও-র প্রতিবেদন সংগ্রহ করেছে। সেগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই সংবেদনশীল সামরিক আকাশসীমায় উড্ডয়ন করেছে। যদিও এমন কোন প্রমাণ নেই যে সেগুলো ভিনগ্রহ থেকে এসেছে, তবু সেগুলো একটি হুমকি উত্থাপন করে। সরকার কর্তৃক বৃহস্পতিবার অবমুক্ত করা গোপন প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপে এসব কথা বলা হয়।

গত বছর পেন্টাগন একটি দফতর তৈরি করে, যার নাম অল-ডোমেইন অ্যানোমালি রেজোল্যুশন অফিস। দফতরটির একমাত্র উদ্দেশ্য হল অজ্ঞাত সকল ঘটনার বিষয়ে প্রতিবেদন গ্রহণ করা ও সেগুলো বিশ্লেষণ করা। এমন ঘটনার অনেকগুলোই সামরিক পাইলটরা জানিয়েছেন। ঐ ঘটনাগুলো আরও পর্যালোচনা করতে দফতরটি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সাথে কাজ করবে।

ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স -এর পরিচালকের দফতর তাদের ২০২২ সালের প্রতিবেদনে বলে যে এই ঘটনাগুলো “নিষিদ্ধ বা সংবেদনশীল আকাশসীমায় হওয়া অব্যাহত রয়েছে, যা কিনা ফ্লাইটের নিরাপত্তা বা প্রতিপক্ষের [তথ্য] সংগ্রহ কর্মকাণ্ডের সম্ভাবনা তুলে ধরে”।

যেসব এলাকায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালিত হয় বা পারমাণবিক অস্ত্র মজুদ রয়েছে, সেসব এলাকার কাছে এ ধরণের কতগুলো বস্তু পাওয়া গিয়েছে সেই বিষয়ে ঐ প্রতিবেদনটির গোপন সংস্করণটিতে বলা হয়েছে।

৫১০টি বস্তুর মধ্যে ১৪৪টি এমন বস্তু রয়েছে যা আগেই জানানো হয়েছিল এবং ৩৩৬টি নতুন ঘটনার প্রতিবেদন রয়েছে। পুরোনো ও নতুন, উভয় ঘটনাগুলোতেই, বিশ্লেষণের পর, সেগুলোর বেশিরভাগই “অনুল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য” প্রদর্শন করে বলে নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সেগুলোকে মানববিহীন বিমান বা বেলুনের মত বস্তু হিসেবে আখ্যায়িত করা যায় বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়।

তবে দফতরটির আরেকটি কাজ হল এমন কোন চলাচল বা বস্তুর প্রতিবেদন সম্পর্কে জানানো, যেগুলো এমন বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করতে পারে যে কোন সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ কোন নতুন প্রযুক্তি বা সক্ষমতা অর্জন করেছে।

XS
SM
MD
LG