অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সংকটে থাকা শ্রীলঙ্কাকে উদ্ধারে এগিয়ে এলো ভারত

ওয়াশিংটনে অবস্থিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দফতর ভবন। (ফাইল ফটো)
ওয়াশিংটনে অবস্থিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দফতর ভবন। (ফাইল ফটো)

ভারত অর্থায়নের নিশ্চয়তা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এর থেকে ২৯০ কোটি ডলারের এক অপরিহার্য ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কা আরও একধাপ এগিয়ে গেল। আইএমএফ এর উদ্ধার প্যাকেজটি পেতে হলে শ্রীলঙ্কাকে তাদের বৃহৎ বিদেশী ঋণদাতাদের থেকে এমন নিশ্চয়তা পেতে হবে।

এই ছোট দ্বীপরাষ্ট্রটির কয়েক দশকের সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সংকট থেকে তাদের ধীরগতির পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াটি আরম্ভের জন্য আইএমএফ এর ঋণটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্কর শুক্রবার কলম্বোতে ঘোষণা দেন যে, তার মন্ত্রক আইএমএফ এর ঋণের পথ সুগম করবে। জয়শঙ্কর কলম্বোতে প্রেসিডেন্ট রানিল বিক্রমাসিংহে ও শ্রীলঙ্কার অন্যান্য জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

এক বিবৃতিতে জয়শঙ্কর বলেন, “ভারত অন্যান্যদের জন্য অপেক্ষা না করে যেটা সঠিক সেটা করার সিদ্ধান্ত নেয়। আমরা আইএমএফ এর প্রতি অর্থায়নের নিশ্চয়তা প্রদান করেছি যাতে করে শ্রীলঙ্কার সামনে এগোনোর পথ সুগম হয়। আমাদের আশা হল যে, এটি শুধুমাত্র শ্রীলঙ্কার অবস্থানই শক্তিশালী করবে তা নয়, বরং এটাও নিশ্চিত করবে যে, সকল দ্বিপাক্ষিক ঋণদাতার সাথেই সমভাবে আচরণ করা হচ্ছে।”

শ্রীলঙ্কার বৃহৎ ঋণদাতাদের মধ্যে ভারতই প্রথম দেশ যারা তাদের ঋণ পুনর্গঠনে সম্মত হল। আইএমএফ এর ঋণটি পেতে হলে চীনের থেকেও শ্রীলঙ্কার এই একই আশ্বাস প্রয়োজন। চীন শ্রীলঙ্কার বৃহত্তম ঋণদাতা। আইএমএফ আগস্টে ঋণটি প্রদানে সম্মত হলেও সেটি শ্রীলঙ্কার ঋণদাতাদের সহায়তার শর্তাধীন হয়ে রয়েছে।

শ্রীলঙ্কার কর্মকর্তারা আশাবাদ প্রকাশ করেছেন যে, তারা শীঘ্রই চীনের সমর্থনও পাবেন।


This item is part of
XS
SM
MD
LG