অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইরানের ওপর ইইউ-র নতুন নিষেধাজ্ঞা, রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরো নিষেধাজ্ঞা বিবেচনাধীন


ফাইল ছবি- ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পতাকা উড়ছে, অক্টোবর ২০১০।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরানের বিরুদ্ধে চতুর্থ দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। তারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য দশম নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজ নিয়ে আলোচনা করেছেন। একই সাথে ইউক্রেনের জন্য নতুন করে ৫৪ কোটি ডলারের বেশি সামরিক ব্যয়ে সম্মত হয়েছেন।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কিয়েভের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং সদস্য রাষ্ট্রের সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ১২শ কোটি ডলার।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল বলেন, মস্কোর বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের তেল নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে।

বোরেল বলেন, "রাশিয়ার বাজেটের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য ৭০ শতাংশ প্রয়োজন- তাই তারা ব্যারেল প্রতি ৪০ ডলার হারাচ্ছে। এটি রাশিয়ার আর্থিক স্থিতিশীলতার ওপর বড় আঘাত।"

কিন্তু ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত ইউরোপীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রগতি হয়নি। তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জার্মানির কাছ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ইউক্রেনে লেপার্ড ট্যাংক প্রেরণের সবুজ সংকেত পায়নি, যা কিয়েভ যুদ্ধ প্রচেষ্টার জন্য অত্যাবশ্যক বলে মনে করে।

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক বলেছেন, পোল্যান্ডের মতো দেশগুলোকে ট্যাংক পাঠানোর বিরোধিতা করবে না জার্মানি। কিন্তু এর বাইরে আর কোনো ঘোষণা আসেনি।

পোলিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জবিগনিউ রাউ বলেছেন, তার দেশ যেভাবেই হোক কিয়েভকে ট্যাংক পাঠাবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন মস্কোর বিরুদ্ধে আরেক দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে আলোচনা করছে। কিন্তু রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় হাঙ্গেরির নেতা বিরোধিতার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সরকারবিরোধী বিক্ষোভের বিরুদ্ধে ব্যাপক দমন-পীড়নের কারণে ইরানের বিরুদ্ধে চতুর্থ দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়েও সম্মত হয়েছে জোটটি। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের সদস্যসহ ৩৭টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে ও তাদের সম্পদ জব্দ করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে সম্মত হয়েছে।

XS
SM
MD
LG