অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল বন্ধ করেছে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন যে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে এবং বেআইনিভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পথ বন্ধ করেছে। একই সঙ্গে কারা ক্ষমতায় যাবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছে জনগণকে। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রংপুর সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, “সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর পর থেকে দেশে স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে; যা দীর্ঘ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার দিকে পরিচালিত করে। তাই আজকাল কোনো অনির্বাচিত ব্যক্তি অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে পারে না। সংবিধানে কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করে ২০১১ সালের ৩০ জুন ১৫তম সংশোধনী সংসদে পাস হয়। যার ফলে অবৈধ ক্ষমতা দখলের অবসান ঘটে।”

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট দেশের সংবিধান লঙ্ঘন করে সামরিক আইন জারি করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলকে অবৈধ ঘোষণা করেছে এবং এতে দেশের জনগণের ভোট ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ আদালতের রায় ঘোষণার পর, সংবিধানে (১৫ তম) সংশোধনী এনে দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছি। এই গণতন্ত্রের উদ্দেশ্য হলো জনগণের ক্ষমতাকে শক্তিশালী করা এবং কে ক্ষমতায় যাবে বা যাবে না, তা সিদ্ধান্ত নিতে তাদের ক্ষমতায়ন করা।”

শেখ হাসিনা বলেন, “কিন্তু, জনগণের ক্ষমতায়ন তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশের জন্য হৃদয় জ্বালার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ তারা কখনো জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসে না। তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার চেষ্টা করেছে এবং আবারও করছে। তারা, যারা কখনো জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারে না এবং জনগণের মুখোমুখি হতে ভয় পায়; এই কারণে তাদের ভেতরের জ্বালা আছে।”

বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকারই ১৯৯৯ থেকে ২০০১ মেয়াদে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রস্তাব অনুযায়ী স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ও ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে আরো স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে, নতুন আইন অনুযায়ী সার্চ কমিটির মাধ্যমে কমিশন গঠন করা হয়েছে। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকার কমিশনকে পূর্ণ আর্থিক স্বাধীনতা দিয়েছে।”

XS
SM
MD
LG