বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ফাম ভিয়েত চিয়েন এবং দূতাবাসের কর্মীরা শনিবার (১১ ফেব্রয়ারি) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে গিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন।
ভিয়েতনাম দূতাবাস জানিয়েছে, ১৯৭৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ভিয়েতনাম এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। যা ঐতিহাসিক মিল এবং স্বাধীনতা, শান্তি, সহযোগিতা ও উন্নয়নের ভাগাভাগি মূল্যবোধের ভিত্তিতে দেশদুটির মধ্যে চমৎকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বের যুগের সূচনা করে।
দেশ দুটির মধ্যে ২০২২ সালে বাণিজ্যের পরিমাণ ১৫০ কোটি ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। গত ২০ বছরে একটি আকর্ষণীয় (৭৫ গুণ) বাণিজ্য বৃদ্ধি। গত ১০ বছরে চারগুণ বাণিজ্য বৃদ্ধির রেকর্ড করেছে। ভিয়েতনাম দূতাবাস উল্লেখ করে, “তবে দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের মধ্যে সংহতি ও সাহচর্যের গল্প আরো অনেক আগেই শুরু হয়েছিল।বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর পরই এটিকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর মধ্যে ভিয়েতনাম একটি। একইভাবে, বাংলাদেশের জনগণ ও নেতারা বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু ভিয়েতনামের জাতীয় মুক্তি, স্বাধীনতা এবং দেশের পুনঃএকত্রীকরণ সংগ্রামের প্রতি জোরালো সমর্থন ব্যক্ত করেন।”
“বিগত ৫০ বছরে, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ধীরে ধীরে সুসংহত এবং বিশেষ করে উচ্চ-পর্যায়ের সফর বিনিময়ের মাধ্যমে শক্তিশালী হয়েছে। ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট ট্রান দাই কুয়াং-এর বাংলাদেশ সফর, ২০০৪ সালে প্রেসিডেন্ট ট্রান দুক লুং, ১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রী ভো ভ্যান কিয়েট, এবং ১৯৭৪ সালে দক্ষিণ ভিয়েতনামের প্রজাতন্ত্রের অস্থায়ী বিপ্লবী সরকার-এর পরামর্শক পরিষদের নগুয়েন হু থু সফর করেছেন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ২০১৫ সালে ভিয়েতনাম সফর করেন, ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০১৭ সালে ভিয়েতনাম সফর করেন। সফরকালে বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হয়েছিল এবং সহযোগিতার প্রক্রিয়াগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী এবং কার্যকর করার জন্য উল্লেখযোগ্য প্রেরণা দিয়েছে;" উল্লেখ করে ঢাকায় অবস্থিত ভিয়েতনাম দূতাবাস।