অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বিপিএলে সিলেট স্ট্রাইকার্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস

ঢাকার শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ২০২৩-এর ফাইনালে সিলেট স্ট্রাইকার্সকে ৭ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। এই জয়ের মধ্য দিয়ে চতুর্থবারের মতো শিরোপা ঘরে তুলল কুমিল্লা।

এর আগে প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠে সিলেট স্ট্রাইকার্স ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৬ রানের টার্গেট দেয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসকে। কুমিল্লার ফিল্ডাররা ফাইনাল খেলায় ফিল্ডিংয়ে আশ্চর্যজনকভাবে পিচ্ছিল ছিল। ভুল ফিল্ডিং এবং ড্রপ ক্যাচের কারণে সিলেট স্ট্রাইকার্স কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ রান বেশি সংগ্রহ করে। তার পরও সিলেট শিরোপা জয়ের স্বাদ নিতে ব্যর্থ হয়। শেষমেষ জয়ের স্বাদ নিতে ভুল করেনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস।

সিলেট স্টাইকার্সের শান্ত ও মুশফিক তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৫৬ বলে ৭৯ রান যোগ করেন। শান্ত তাঁর ৪৫ বলে ৬৪ রানে ৯টি চার এবং একটি ছক্কা মেরেছেন। ম্যাচের ১৩তম ওভারে মঈন আলীর বলে আউট হয়ে সিলেটকে তিন উইকেটে ১০৫ রানে রেখে আসেন শান্ত।

এরপর সিলেটের ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন মুশফিক। তিনি ৪৮ বলে ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৭৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। তিনি রায়ান বার্লের (১৩) সঙ্গে ২৯ রান যোগ করেন। মুশফিক ১৬তম ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে মোসাদ্দেক হোসেনের হাতে ধরাশায়ী হন।

১৮তম ওভারে মুস্তাফিজুরের বলে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে চার মারেন জর্জ লিন্ডে (৯)। শেষ ওভারে মঈন আলীর বলে রানআউট হন জাকির হাসান (১)।

শেষ চার বলে মুশফিকের সঙ্গে যোগ দেন তানজিম হাসান সাকিব এবং শূন্য রানে অপরাজিত থাকেন।

কুমিল্লার হয়ে মুস্তাফিজুর ছিলেন সবচেয়ে সফল বোলার। চার ওভারে ৩১ রানে ২ উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নেন মঈন আলী, তানভীর ইসলাম, সুনীল নারাইন ও আন্দ্রে রাসেল।

সিলেট স্টাইকার্স কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসকে ১৭৫ রানের বড় লক্ষ্য দিলেও সিলেটের বোলাররা একবারের জন্যও জয়ের সম্ভাবনা জাগাতে পারেননি। লিটনের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৭০ রানের জুটির পর মঈন আলীর সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ৭২ রানের জুটিতে জনসন চার্লসই শেষ করে দেন ম্যাচটা। লিটন দাসের (৩৯ বলে ৫৫) দারুণ শুরুর পর জনসন চার্লস ৫২ বলে অপরাজিত ৭৯ রান করেন।

গত বছরের ফাইনালে রংপুর রাইডার্সকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস।

XS
SM
MD
LG