অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে মানবাধিকার গোষ্ঠীর হয়রানি নিয়ে উদ্বিগ্ন জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা


গুমের শিকার হওয়া আত্মীয়দের ছবি নিয়ে মানুষ ২০২২ সালের ৩০ আগস্টে বাংলাদেশের ঢাকায় একটি নীরব সমাবেশে অংশ নেয়। (ভয়েস অফ আমেরিকার জন্য আবদুর রাজ্জাকের ছবি।)
গুমের শিকার হওয়া আত্মীয়দের ছবি নিয়ে মানুষ ২০২২ সালের ৩০ আগস্টে বাংলাদেশের ঢাকায় একটি নীরব সমাবেশে অংশ নেয়। (ভয়েস অফ আমেরিকার জন্য আবদুর রাজ্জাকের ছবি।)

জাতিসংঘের আটজন প্রতিনিধি বাংলাদেশ সরকারের কাছে চিঠি লিখেছেন। তারা বলছেন, দেশের দুটি সুপরিচিত মানবাধিকার গোষ্ঠীকে “হয়রানি এবং ভীতি প্রদর্শন” এবং বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর পুলিশের “অতিরিক্ত এবং প্রাণঘাতী শক্তির ব্যবহার” এর কারণে তারা উদ্বিগ্ন।

অধিকার গোষ্ঠীগুলোর নাম হলো অধিকার এবং মায়ের ডাক। অধিকার বাংলাদেশে গুম এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের নথির জন্য পরিচিত। মায়ের ডাক দেশের গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম।

প্রতিনিধিরা ডিসেম্বরে সরকারের কাছে দুটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন কিন্তু চিঠিগুলো এই মাসের শুরুতে প্রকাশ্যে আসে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন পরে স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, অনেক অভিযোগই সত্য নয়।

২২ ডিসেম্বরের একটি চিঠিতে জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপ অন এনফোর্সড অর ইনভলান্টারি ডিসএপিয়ারেন্স বা ডব্লিউইআইডি-র চেয়ার-র‍্যাপোর্টিয়ার এবং আরও দুজন কর্মকর্তা বলেছেন, অধিকার এবং এর সেক্রেটারি আদিলুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি “কথিত স্মিয়ার ক্যাম্পেইন” শুরু হয়েছে। আদিলুর রহমান খান বিভিন্ন সরকারি সংস্থার দ্বারা “ভীতি প্রদর্শন এবং হয়রানির” শিকার হয়েছেনর

অধিকারের সেক্রেটারি আদিলুর রহমান খানের বিরুদ্ধে এবং অধিকার গোষ্ঠীগুলোকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং হয়রানির মামলাগুলোর তদন্তের জন্য নেয়া পদক্ষেপের বিশদ বিবরণ চেয়েছিলেন তিনজন কর্মকর্তা।

দ্বিতীয় চিঠিতে দেশের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল অর্থাৎ বিএনপির বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে “আক্রমণ এবং অত্যাধিক ও প্রাণঘাতী শক্তির ব্যবহার”এর ঘটনা নিয়ে অন্য পাঁচজন কর্মকর্তা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সেই চিঠিটি ২৭ ডিসেম্বর পাঠানো হয়েছিল।

XS
SM
MD
LG