জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ন্যাশনাল অ্যাডাপটেশন প্ল্যান (ন্যাপ) বাস্তবায়নে জার্মানির সহায়তা চায় বাংলাদেশ। এই সহায়তার মধ্যে রয়েছে; প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ক্ষেত্রগুলো।
শনিবার (২৫ ফেব্রয়ারি) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রস্টার ও বাংলাদেশ সফররত জার্মানির পার্লামেন্ট সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে শাহাব উদ্দিন বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় নতুন প্রণয়ন করা ন্যাপ বাস্তবায়নে ২৩ হাজার কোটি ডলারের প্রয়োজন হবে। জার্মানিসহ উন্নত বিশ্ব এতে সহায়তা করলে বাস্তবায়ন সহজ হবে।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন রোধে সুন্দরবনসহ সারাদেশে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।সরকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি বৃত্তাকার অর্থনীতি বাস্তবায়নের জন্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে এবং বায়ু দূষণ রোধে পোড়া ইটের পরিবর্তে ব্লক ইট চালু করার জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করেছে।”
জার্মানির রাষ্ট্রদূত বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা এবং বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন সংক্রান্ত সকল কার্যক্রমে জার্মানির সহযোগিতা ক্রমবর্ধমান গতিতে অব্যাহত থাকবে।আর, পারস্পরিক আলোচনা ও চাহিদার ভিত্তিতে এই সহযোগিতা দেওয়া হবে।”