অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোস ইনস্টিটিউট অফ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রিসার্চের জীববিজ্ঞান বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক টিমোথি ই ওয়ালশ (বামে), বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেন। ২৬ ফেব্রয়ারি, ২০২৩।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোস ইনস্টিটিউট অফ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রিসার্চের জীববিজ্ঞান বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক টিমোথি ই ওয়ালশ (বামে), বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেন। ২৬ ফেব্রয়ারি, ২০২৩।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন যে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ আরোপ করতে হবে। রবিবার (২৬ ফেব্রয়ারি) অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোস ইনস্টিটিউট অফ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রিসার্চের জীববিজ্ঞান বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক টিমোথি ই ওয়ালশ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেন। এসময় শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে অবহিত করেন। তিনি জানান যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “অ্যান্টিবায়োটিক বাংলাদেশের সর্বত্র পাওয়া যায় এবং ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া এ জাতীয় ওষুধ বিক্রি বন্ধ করতে হবে।”

নজরুল ইসলাম আরো জানান যে প্রধানমন্ত্রী অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষককে বলেছেন, “এক সময় দেশের কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হতো। এখন তা বন্ধ করা হয়েছে। এখন চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশন নিয়ে সরকারি হাসপাতাল থেকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়।”

অ্যান্টিবায়োটিকের যথাযথ ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশের সর্বত্র যাতে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি না হয়, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”

টিমোথি ই ওয়ালশ বলেন, “অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) এখন বিশ্বের আটটি দেশে মহামারী আকার ধারণ করেছে। এখনই প্রতিরোধ করা না গেলে, ভবিষ্যতে এটি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।” তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে এর ফলে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

শেখ হাসিনা জানান যে তার সরকার কৃষি ও চিকিৎসা বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মৌলিক গবেষণার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি ২০০টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গবেষণা ক্ষেত্রে ফেলোশিপ প্রদান করা হয় বলে জানান তিনি।

অধ্যাপক টিমোথি ই ওয়ালশ, ফেলোশিপের আওতায় চিকিৎসা ও মৌলিক বিজ্ঞানে গবেষণা করতে, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ইনোস ইনস্টিটিউট অফ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রিসার্চে এর আ্ওতায় বঙ্গবন্ধু আইওআই ফেলোশিপ চালুর প্রস্তাব করেন। জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফেলোশিপের জন্য নীতিগত সম্মতি দেন। এছাড়াও টিমোথি ই ওয়ালশ ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ককাসের সঙ্গে এএমআর বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের অংশীদারিত্বের প্রস্তাব করেন। এ প্রস্তাবের প্রতি তার ইতিবাচক সাড়া দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

This item is part of
XS
SM
MD
LG