অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী নির্যাতন: ছাত্রলীগের ৫ নারী কর্মী সাময়িক বরখাস্ত

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। (ফাইল ছবি)
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। (ফাইল ছবি)

নারী শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলে, এক নবীন শিক্ষার্থীকে নির্যাতন ও ভয় দেখানোর অভিযোগে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার এক নেত্রী ও চার কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। শনিবার (৪ মার্চ) এ বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশে তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিসের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর শেখ আবদুস সালামের সভাপতিত্বে, ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন; প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর এম মাহবুবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর এম আলমগীর হোসেন ভূইয়া, প্রক্টর প্রফেসর এম শাহাদাত হোসেন আজাদ ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচএম আলী হাসান।

বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী হলেন; সানজিদা চৌধুরী অন্তরা, তাবাসসুম ইসলাম, মাওবিয়া জাহান, হালিমা খাতুন উর্মি এবং ইসরাত জাহান মিম।

১২ ফেব্রুয়ারি রাতে অন্তরা ও তার সহযোগীদের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী প্রথম বর্ষের ছাত্রী ফুলপরী খাতুনের কক্ষে গিয়ে তাকে লাঞ্ছিত ও নির্যাতন করে। ১৪ ফেব্রুয়ারি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে ফুলপরী খাতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা ও হল প্রভোস্ট সহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

এর পর, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও আইনজীবী গাজী মোহাম্মদ মহসিন হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। রিটের পর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রীকে লাঞ্ছিত ও নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত পাঁচ ছাত্রীকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। আর, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে, ডরমেটরি থেকে প্রভোস্টকে অপসারণ করতে বলেছেন আদালত। বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

This item is part of
XS
SM
MD
LG