অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে: প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর-এ নির্মাণ করা হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন। এই পাইপ লাইন বাংলাদেশের, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। শুক্রবার (১০ মার্চ) দুপুরে, প্রকল্প পরিদর্শন শেষে, সাংবাদিকদের এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, “বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন প্রকল্পের টার্মিনাল পরিচালিত হবে অটোমেটিক ও কম্পিউটারাইজ সিস্টেম-এর মাধ্যমে।পাইপলাইনের কোনো স্থানে কিছু হলে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাৎক্ষণিক স্থান চিহ্নিত করা যাবে এই পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে।”

“ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ১৩১ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর টার্মিনালে বছরে কম-বেশি তিন লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করা হবে। এতে খরচ কমে আসার পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় বলয় তৈরি হয়েছে;” উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

তিনি জানান, “টার্মিনাল ও ডিপোতে দুই মাসের জন্য কমপক্ষে ৪০ হাজার লিটার জ্বালানি মজুদ রাখা নিশ্চিত হয়েছে। অন্য পথে আমদানি করা প্রতি ব্যারেল ডিজেলের দাম ১১ দশমিক ৫০ ডলার। পাইপলাইনের মাধ্যমে আমদানিতে খচর নেমে আসবে ৬ ডলারে। পাইপলাইনে পার্বতীপুরে ডিজেল আমদানির ফলে কৃষিনির্ভর উত্তরাঞ্চলে চাষাবাদে লক্ষাধিক সেচ পাম্পে এবং সৈয়দপুরের পাওয়ার প্লান্টে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত হবে।”

আগামী ১৮ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পাইপলাইনে জ্বালানি সরবরাহ উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর পাইপলাইন স্থাপন কাজের উদ্বোধন করেছিলেন তারা।

XS
SM
MD
LG