অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ক্যামেরুন-নাইজেরিয়া সীমান্তে বোকো হারামের সাথে নতুন করে লড়াইয়ে কয়েক হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত


ক্যামেরুনের গাদালার কাছে মিনাওয়াও শরণার্থী শিবিরে পানীয় জল সংগ্রহ করছেন মহিলারা৷ ৩ মার্চ, ২০২০। (ফাইল ছবি)
ক্যামেরুনের গাদালার কাছে মিনাওয়াও শরণার্থী শিবিরে পানীয় জল সংগ্রহ করছেন মহিলারা৷ ৩ মার্চ, ২০২০। (ফাইল ছবি)

বোকো হারাম জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত বাহিনী অনুসারে, নাইজেরিয়া-ক্যামেরুন সীমান্তে নতুন করে শুরু হওয়া লড়াইয়ে অন্তত ৩,০০০ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

নাইজেরিয়ার সাথে ক্যামেরুনের উত্তর সীমান্তের একটি শিবির মিনাওয়াও-এর শরণার্থীরা বলছেন, শিবিরে মানবিক সহায়তা চাওয়া মানুষের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মিনাওয়াওতে নাইজেরিয়ান শরণার্থীদের সভাপতি আইজ্যাক লুকা বলেছেন, শিবিরের অবস্থা আগে থেকেই খারাপ ছিল। কিন্তু, ক্ষুধা ও বন্দুক যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বর্তমান প্রবাহ জীবনযাত্রা আরও ভয়াবহ করে তুলছে।

বোকো হারাম সন্ত্রাসীরা তার পরিবারসহ গ্রামের ২০ জনেরও বেশি লোককে হত্যা করার পর, লুকা ২০১৪ সালের জুনে নাইজেরিয়ার বোর্নো রাজ্য থেকে পালিয়ে যায়।

মায়ো-মোস্কোটা জেলার সর্বোচ্চ সরকারি কর্মকর্তা তৌদজে ভাউমাউ বলেছেন, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ক্যামেরুন-নাইজেরিয়া সীমান্তের উভয় পাশে ক্যামেরুন সরকারী সেনা এবং বোকো হারাম জঙ্গিদের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। তিনি আরও বলেন, বোকো হারাম জঙ্গিদের সীমান্তের উভয় পাশের গ্রামে লুকিয়ে থাকা এবং বেসামরিক লোকদের হয়রানি করার জন্য বেশ কয়েকটি সামরিক পোস্ট তৈরি করা হয়েছে।

বাহিনী বলছে, বোকো হারামের শক্ত ঘাঁটিতে বেশ কয়েকটি হামলা চালানো হয়েছে, তবে এতে ঠিক কতজন জিহাদি নিহত বা আহত হয়েছে, তা তারা নির্দিষ্ট করে বলেনি।

ক্যামেরুনে ইউএনএইচসিআর প্রতিনিধি অলিভিয়ার গুইলাম বিয়ার এই সপ্তাহে ক্যামেরুনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিআরটিভির সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের জন্য বর্তমান মানবিক পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক।

জাতিসংঘের মতে, লড়াইয়ে এ পর্যন্ত ৩৬,০০০ এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নাইজেরিয়ায়। এছাড়া প্রায় ৩০ লাখ মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

XS
SM
MD
LG