অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বঙ্গবন্ধুর ১০৩তম জন্মবার্ষিকী ১৭ মার্চ


ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জানুয়ারি ১৪, ১৯৭১। (ছবি- মাইকেল লরেন্ট/ এপি)
ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জানুয়ারি ১৪, ১৯৭১। (ছবি- মাইকেল লরেন্ট/ এপি)

কাল ১৭ মার্চ (শুক্রবার) বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী।

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নকালে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর বাঙালির সব বড় আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে তিনি বাঙালি জাতিকে সংগঠিত করেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর বঙ্গবন্ধু জনগণকে ধাবিত করেন স্বাধীন বাংলাদেশ আন্দোলনে। ১৯৭১ সালে ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে আন্দোলনের পরিসমাপ্তি ঘটে। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ পৃথিবীতে স্বাধীন দেশ আত্মপ্রকাশ করে।

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট পরাজিত ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী চক্র বঙ্গবন্ধুকে তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ হত্যা করে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে ১৭ মার্চ সকাল ৭টায় রাজধানী ঢাকায় ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর সকাল ১০টায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

দিবসটি পালনে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে দিনটি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবেও উদযাপিত হবে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সরকার ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত সময়কে “মুজিববর্ষ” হিসেবে ঘোষণা করে। পরে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত তা বাড়ানো হয়।

XS
SM
MD
LG