অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

স্বাধীনতাবিরোধী বক্তব্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নতুন আইন দরকার: সংসদে মোজাম্মেল হক

অধিবেশন চলাকালে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ। (ফাইল ছবি)
অধিবেশন চলাকালে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ। (ফাইল ছবি)

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক স্বাধীনতাবিরোধী বক্তব্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নতুন আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন। রবিবার (৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি (সুবর্ণজয়ন্তী) উপলক্ষে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উত্থাপিত প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।

সংসদে মোজাম্মেল হক বলেন, “যখনই তারা (স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি) সুযোগ পায়, তারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার জন্য এসব মন্তব্য করে। এ কারণে আমি মনে করি হলোকাস্ট জেনারেল আইনের মতো এবিষয়েও একটি নতুন আইন পাস করা উচিত।”

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, “যারা স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষে কথা বলবে, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য একটি আইন প্রয়োজন। আইন কমিশন, আইন মন্ত্রণালয়ে এমন একটি আইন প্রস্তাব করেছে, যা সংসদে পাস হতে পারে।”

বিএনপি ও জামায়াতের দিকে ইঙ্গিত করে মোজাম্মেল হক বলেন, “তারা সংসদকে অকার্যকর করার জন্য গত দুটি জাতীয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেছিলো। তারা ২০১৪ সালের নির্বাচন বানচাল করার জন্য অগ্নিসংযোগে লিপ্ত হয়েছিলো। আর, ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, কিন্তু সত্যিকার অর্থে এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি তারা।”

তিনি আরো বলেন, “তারা (বিএনপি-জামায়াত) রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু এই সংসদকে বিশ্বাস করে না। যেহেতু সংসদের প্রতি তাদের আস্থা নেই, তাই তারা যখনই সুযোগ পায়, শুধু এই সংসদকেই নয়, বাংলাদেশকেও একটি নিরর্থক ও ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতীয়মান করতে ষড়যন্ত্র করে।”

মোজাম্মেল হক বলেন, “এ ধরনের মিথ্যাচার ও ইতিহাস বিকৃতি রোধে জাতীয় সংসদে নতুন আইন প্রণয়ন করতে হবে। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জেলহত্যার বিচার করতে সক্ষম হয়েছেন, তাই তার (শেখ হাসিনা) পক্ষে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা কারীদের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন করে জাতির সুরক্ষা ব্যবস্থা করা সম্ভব।”

This item is part of
XS
SM
MD
LG