অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ঊর্ধ্বতন চীনা কর্মকর্তার মাইলফলক এক সফর অস্ট্রেলিয়ায়


চীনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপমন্ত্রী মা ঝাওসু বেইজিং-এ চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রকে একটি সংবাদ সম্মেলনের সময় কথা বলছেন। ২২ এপ্রিল, ২০২১। ফাইল ছবি।
চীনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপমন্ত্রী মা ঝাওসু বেইজিং-এ চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রকে একটি সংবাদ সম্মেলনের সময় কথা বলছেন। ২২ এপ্রিল, ২০২১। ফাইল ছবি।

ছয় বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সবচেয়ে ঊর্ধ্বতন চীনা সরকারি কর্মকর্তা অস্ট্রেলিয়া সফরে এসেছেন। তিনি আলোচনার জন্য সিডনিতে পৌঁছেছেন।

মা ঝাওসুর সফর সাম্প্রতিক একটি চিহ্ন যে, ক্যানবেরা এবং বেইজিং-এর মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক বছরের পর বছরের চড়াই-উতড়াইয়ের পর শিথিল হচ্ছে। চীনের পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী মা-র এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন দুই দেশ অস্ট্রেলিয়ার বার্লি আমদানি নিয়ে বিরোধ সমাধানে সম্মত হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথিত চীনা হস্তক্ষেপ বিষয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের কারণে ২০১৭ সালে তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি শুরু হওয়ার পর থেকে এটি ঊর্ধ্বতন কোনো চীনা কর্মকর্তার প্রথম অস্ট্রেলিয়া সফর।

পরবর্তীতে তাইওয়ান, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং কোভিড-১৯ এর উৎপত্তি নিয়ে তাদের মধ্যে আরও মতবিরোধ দেখা দেয়। চীন অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে।

২০২০ সালের মে মাসে চীন অস্ট্রেলিয়ান বার্লিতে ৫ বছরের জন্য ঢালাও শুল্ক বসায়। এর ফলে বছরে ১০০ কোটি ডলার মূল্যের বাণিজ্য ব্যাহত হয়।

ব্যবসায়িক গোষ্ঠী অস্ট্রেলিয়া চায়না বিজনেস কাউন্সিলের জাতীয় সভাপতি ডেভিড ওলসেন বুধবার অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনকে বলেছেন, মা’র সফর চীনের পররাষ্ট্র নীতিতে পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে।

চীন এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সর্ববৃহৎ বানিজ্যিক অংশীদার। প্রাকৃতিক সম্পদের জন্য চীনের বিশেষত ইস্পাত তৈরির মূল উপাদান লোহা আকরিকের চাহিদা অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক সমৃদ্ধির ভিত্তি।

২০২২ সালের মে মাসে নির্বাচিত অস্ট্রেলিয়ার মধ্য-বামপন্থি সরকার বেইজিং-এর সাথে উত্তেজনা হ্রাসের সমন্বিত একটি প্রচেষ্টা হাতে নিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, গত নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত জি-টোয়েন্টি সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর মধ্যকার বৈঠক সম্পর্কের এ উন্নতির একটি অনুঘটক ছিল।

XS
SM
MD
LG