অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

জাপান “সমমনা” দেশগুলোকে প্রাণঘাতী নয়, এমন সামরিক সহায়তা সরবরাহ করবে


জাপানের টোকিওতে মন্ত্রিপরিষদের মূখ্য সচিব হিরোকাজু মাতসুনো। ফাইল ছবি।
জাপানের টোকিওতে মন্ত্রিপরিষদের মূখ্য সচিব হিরোকাজু মাতসুনো। ফাইল ছবি।

জাপান এশিয়ার “সমমনা” দেশগুলোকে প্রতিরক্ষা সহায়তা দেওয়ার জন্য নতুন একটি পরিকাঠামো তৈরির পরিকল্পনা করছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, চীনা প্রভাব বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তায় আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনে টোকিওর অভিপ্রায় এ পদক্ষেপের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।

ওভারসিজ সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স (ওএসএ) কর্মসূচি প্রতিষ্ঠার এই পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে জাপান নিজস্ব বিধিনিষেধ থেকে প্রথমবারের মতো বেরিয়ে এল। এই বিধিনিষেধের কারণে এত দিন জাপান সরকার সামরিক উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক সহায়তা থেকে বিরত ছিল।

.ওএসএ সমমনা দেশগুলোর নিরাপত্তার প্রয়োজনের ভিত্তিতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য প্রাণঘাতী নয় এমন উপকরণ এবং সরঞ্জাম সরবরাহ করবে।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের ৫ এপ্রিলের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো “বলপ্রয়োগের মাধ্যমে স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের একতরফা প্রচেষ্টা প্রতিরোধ করার জন্য, বিশেষ করে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত এবং জাপানের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে সমমনা দেশগুলোর নিরাপত্তা ও প্রতিরোধ সক্ষমতা বৃদ্ধি করা”।

জাপান নতুন ওএসএ কর্মসূচি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ঘোষণা করার পর থেকে চীন চুপ করে আছে।

ইন্সটিটিউট ফর ন্যাশনাল ডিফেন্সের ওয়াং ভয়েস অফ আমেরিকার ম্যান্ডারিন সার্ভিসকে বলেন, “একমাত্র যে ক্ষেত্রে চীন জাপানের সমালোচনা করতে পারে তা হলো দক্ষিণ চীন সাগরের ইস্যু। বেইজিং যুক্তি দিতে পারে যে, নতুন ওএসএ কাঠামো সার্বভৌমত্বের বিতর্ককে আরও বিভ্রান্তিকর করে তুলতে পারে”।

জাপানে নিয়োজিত চীনের দূতাবাস ভয়েস অফ আমেরিকার মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।

XS
SM
MD
LG