অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বিদ্যুৎ উৎপাদন ও চাহিদায় ব্যবধান: বাংলাদেশে ১৫০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং


বিদ্যুৎ উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যে ব্যবধান বাড়ছে বাংলাদেশে।ফলে, সোমবার (১৭ এপ্রিল) সারাদেশে হাজার ৫০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড-বিপিডিবি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

বিপিডিবি-এর তথ্যানুসারে, রবিবার (১৬ এপ্রিল) বাংলাদেশে ১৬ হাজার মেগাওয়াটের চাহিদার বিপরীতে প্রকৃত বিদ্যুত ঘাটতি ছিলো প্রায় এক হাজার ৪০১ মেগাওয়াট। সন্ধ্যায় পিক আওয়ারে মোট বিদ্যুত উৎপাদন ছিলো ১৪ হাজার ৫৯৯ মেগাওয়াট।

বিপিডিবি আরো জানায়, বাংলাদেশে ১৬ হাজার মেগাওয়াটের চাহিদার বিপরীতে ১৫ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে, লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পিক আওয়ারে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মোট ৮৪০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

শীর্ষ কর্মকর্তারা মনে করেন, বিভিন্ন কারণে পূর্বাভাস অনুযায়ী অপারেটিং প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে না। তারা বলেন, “উচ্চ তাপমাত্রার কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।” বিপিডিবির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কিছু প্ল্যান্টের মেশিন উচ্চ তাপমাত্রা এবং ট্রিপ সহ্য করতে পারে না।

বিপিডিবির তথ্য মতে, বাংলাদেশে মোট এক হাজার ২৯১ মেগাওয়াট লোডশেডিং হবে, যার মধ্যে খুলনা অঞ্চলে ৩৫০ মেগাওয়াট, ময়মনসিংহে ২৪৯ মেগাওয়াট, কুমিল্লা ২৪০ মেগাওয়াট, রাজশাহী ২১০ মেগাওয়াট, রংপুরে ১৩২ মেগাওয়াট, সিলেটে ১০০ মেগাওয়াট। ঢাকায়ও লোডশেডিং হবে; তবে চট্টগ্রাম ও বরিশালে কোনো লোডশেডিং থাকবে না।

বিপিডিবির তথ্য অনুযায়ী, বিআইএফপিসিএলের কয়লাচালিত রামপাল মৈত্রী সুপার থার্মাল প্ল্যান্ট দুইদিন আগে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর, আর চালু করা যায়নি। ফলে, এই প্ল্যান্ট থেকে ৬১৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছে না জাতীয় গ্রিড। বিপিডিবির আরেক কর্মকর্তা জানান, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্রিডের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে, যার ফলে বিদ্যুত ঘাটতি বাড়ছে।

XS
SM
MD
LG