অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

নয় মাসে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১২ শতাংশ


বাংলাদেশের পোশাক কারখানা
বাংলাদেশের পোশাক কারখানা

চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে; অর্থাৎ জুলাই-২০২২ থেকে মার্চ-২০২৩; বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রপ্তানির পরিমাণ বেড়ে ৩৫২৫ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিজিএমইএ পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল এ তথ্য জানিয়েছেন।

মহিউদ্দিন রুবেল জানান, সামগ্রিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন রপ্তানি শিল্পের গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-মার্চের মধ্যে, ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি ১৭৬১ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। ২০২১-২২ অর্থবছর জুলাই-মার্চ সময়সীমায় এই অঙ্ক ছিলো ১৫৭৫ কোটি ডলার। শতকরা বিচারে এই বৃদ্ধির হার প্রায় ১২ শতাংশ ( সুনির্দিষ্টভাবে ১১.৮ শতাংশ)।

চলতি অর্থবছরে পোশাক রপ্তানির সামগ্রিক বৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ২ শতাংশ। গত ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাস রপত্তানি হয়েছিলো ৩১৪৩ কোটি ডলার। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে এই পরিমাণ বেড়ে ৩৫২৫ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

যুক্তরাজ্য ও কানাডায় বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি যথাক্রমে ১৪ দশমিক ০৪ শতাংশ ও ১৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ রেড়েছে। অর্থমূল্য হিসাব করলে এর পরিমাণ যথাক্রমে ৩৮৪ কোটি ডলার এবং ১০৮ কোটি ডলার।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান বাজারগুলোর মধ্যে জার্মানিতে পোশাক রপ্তানি বছরে চার দশমিক ১৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে ফ্রান্স এবং স্পেনে রপ্তানি যথাক্রমে ২৫ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং ১৮ দশমিক ৮২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, পোল্যান্ডে রপ্তানি ১৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে অপ্রচলিত বাজারে। অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানি ৩৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ের মধ্যে ৬৪৪ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। গত অর্থ বছরের একই সময়ে, এর পরিমাণ ছিলো ৪৭৮ কোটি ডলার।

বিজিএমইএ পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেলের বলেন, “বিজিএমইএ নতুন বাজার অনুসন্ধানের সুবিধার্থে কাজ করছে, পাশাপাশি ব্যবসা সহজ ও সহজ করার জন্য নীতি সংস্কারের কাজ করছে। আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে, এবং নতুন সুযোগগুলো অন্বেষণ করার জন্য বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের (বিদ্যমান এবং নতুন) সামনে নতুন পণ্য এবং নতুন বাজারে আমাদের শক্তিগুলোকে তুলে ধরার সময় এসেছে। এটি দীর্ঘমেয়াদে আমাদের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সাহায্য করবে।”

XS
SM
MD
LG