জাপান সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) দেশটির ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ইমার্জিং সায়েন্স অ্যান্ড ইনোভেশন পরিদর্শন করেছেন। এটি মিরাইকান নামে পরিচিত এবং টোকিওর কত-কুতে অবস্থিত।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “প্রধানমন্ত্রীকে মিরাইকানের বিভিন্ন বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়”।
তিনি জানান, শেখ হাসিনা মিরাইকানে পৌঁছালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
নজরুল ইসলাম বলেন, পরিবেশবান্ধব বায়ুমণ্ডলে মানবজাতি কীভাবে টেকসই উপায়ে টিকে থাকতে পারে সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।
কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমন, প্লাস্টিক এবং অন্য মানব ক্রিয়া কীভাবে মানবজাতি ও গ্রহের অন্য প্রাণীদের জীবনকে বিপন্ন করে এবং কীভাবে এটি থেকে বাঁচতে হয় সে সম্পর্কেও শেখ হাসিনাকে জানানো হয়।
এ ছাড়া শেখ হাসিনা স্পেসশিপের একটি প্রদর্শনীও উপভোগ করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা তাঁর সঙ্গে ছিলেন। এ ছাড়া, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমেদ ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
মিরাইকানের দর্শনার্থীরা প্রতিদিনের সহজ প্রশ্ন থেকে সাম্প্রতিক প্রযুক্তি, বৈশ্বিক পরিবেশ, মহাকাশ অনুসন্ধান এবং জীবন বিজ্ঞান পর্যন্ত আজকের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি উপভোগ করতে পারেন।