অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

মেক্সিকোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে বদ্ধপরিকর বাংলাদেশ


মেক্সিকোর তাপাচুলায় সিগলো মাইগ্রেশন ভবনের বাইরে কার্ড খেলছে বাংলাদেশের অভিবাসীরা। ১৩ মে, ২০১৯। (ফাইল ছবি)
মেক্সিকোর তাপাচুলায় সিগলো মাইগ্রেশন ভবনের বাইরে কার্ড খেলছে বাংলাদেশের অভিবাসীরা। ১৩ মে, ২০১৯। (ফাইল ছবি)

মেক্সিকো সিটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ৫২ তম বার্ষিকী উপলক্ষে দূতাবাস প্রাঙ্গণে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানটি ২৬ মার্চের জন্য নির্ধারিত হলেও, পবিত্র রমজান মাসের কারণে ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়। অনষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম বলেন যে মেক্সিকোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ বদ্ধপরিকর।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, শিক্ষাবিদ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যম কর্মী-সহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন মেক্সিকোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া প্যাসিফিক বিভাগের মহাপরিচালক ফার্নান্দো গঞ্জালেজ সাইফে।

গঞ্জালেজ সাইফে তার বক্তব্যে বাংলাদেশ ও মেক্সিকোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও ক্রমবর্ধমান বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরেন। এই সম্পর্ক আরো জোরদার করতে মেক্সিকোর অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

২০২২ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ ও মেক্সিকোর মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ফরেন অফিস কন্সাল্টেশনে অংশগ্রহণের কথা স্মরণ করেন তিনি এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন।

দুই দেশের মধ্যের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককের উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন ফার্নান্দো গঞ্জালেজ সাইফে। তিনি এই সম্পর্ককে আরো গতিশীল, শক্তিশালী ও বাস্তবমুখী করে গড়ে তুলতে তার দেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি জানান।

রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ সহ বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং দুই লাখ বীরাঙ্গনার অপরিসীম অবদানের জন্য তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও অভিন্ন মূল্যবোধের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও মেক্সিকোর মধ্যকার স্থায়ী বন্ধনের কথা উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “এ বছর ঢাকায় মেক্সিকোর দূতাবাস স্থাপনের মধ্য দিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার হবে এবং সহযোগিতার নতুন সুযোগ উন্মোচিত হবে।”

XS
SM
MD
LG